ধুবুলিয়া নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী পপি এ বছরই মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। ধুবুলিয়ার পাশের শান্তিনগরে তার বাড়ি। বাবা ভদ্রকান্ত মন্ডল জমিতে কাজ করে কোনওরকমে সংসার চালান, মা গৃহবধূ। তিন বোনের মধ্যে পপি সবচেয়ে ছোট। দুই দিদির বিয়ে হয়ে গেছে। আর সেই অভাবের সংসারেই বড় হয়েছে তার ফুটবল খেলার স্বপ্ন।
advertisement
পপি জানায়, ছোটবেলা থেকেই ফুটবল খেলতে তার ভীষণ ভালো লাগত। অনেক কষ্ট আর পরিশ্রম করেই আজ সে রাজ্য দলের জার্সি গায়ে তুলে খেলতে পেরেছে। গলায় ঝোলানো মেডেল দেখিয়ে পপি বলে, “আমি আরও এগিয়ে যেতে চাই। ভাল খেলতে পারলে সবাই আমায় চিনবে। শুধু একটা জিনিস চাই, সেটা হলো আপনাদের আশীর্বাদ।” ভবিষ্যতে জাতীয় দলে খেলার ইচ্ছেও প্রকাশ করেছে সে।
পপির প্রথম কোচ নারায়ণ সেনগুপ্ত জানান, “পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা পপির মধ্যে খেলার প্রতিভা ও লড়াই করার মানসিকতা লক্ষ্য করেন। এরপর ফুটবলের প্রশিক্ষণের জন্য তাকে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘ পরিশ্রমের ফলেই আজ পপি এই জায়গায় পৌঁছেছে।” তিনি এও বলেন, “ও সামনে আরও এগিয়ে যাক এবং বিদ্যালয়ের মুখ উজ্জ্বল করুক, এটাই আমাদের আশা।”
উল্লেখ্য, প্রান্তিক ও পিছিয়ে থাকা ধুবুলিয়া এলাকা থেকে নারায়ণ সেনগুপ্তর প্রশিক্ষণে ইতিমধ্যেই প্রায় পাঁচজন মেয়ে জাতীয় পর্যায়ে খেলার সুযোগ পেয়েছে।
Mainak Debnath





