এই ম্যাচে ইশ সোধির এক ওভারে ২৯ রান করে আলোচনায় এলেও, পেস বোলারদের বিরুদ্ধে দুবের আত্মবিশ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। জ্যাকব ডাফি ও ম্যাট হেনরির বিরুদ্ধে তিনটি ছক্কা মেরে তিনি দেখিয়ে দেন যে এখন আর পেস বোলিং তার দুর্বলতা নয়। ফলে প্রতিপক্ষ দলগুলির কাছে দুবে হয়ে উঠছেন নতুন চ্যালেঞ্জ।
ম্যাচের পর দুবে জানান, তার এই উন্নতির মূল কারণ হলো মানসিকতার পরিবর্তন ও নিয়মিত খেলার সুযোগ। তার কথায়, নিয়মিত আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার ফলে তিনি বুঝতে শিখেছেন বোলাররা কোন পরিস্থিতিতে কী করতে পারে এবং কীভাবে তার মোকাবিলা করতে হয়। এই অভিজ্ঞতাই তাকে আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।
advertisement
চলতি সিরিজে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও বাড়তি দায়িত্ব পাচ্ছেন দুবে। যদিও এই ম্যাচে তাকে বোলিং করতে হয়নি, তবুও তিনি মনে করেন বোলিং করার সুযোগ তাকে একজন স্মার্ট ক্রিকেটার হতে সাহায্য করছে। গৌতম গম্ভীর ও সূর্যকুমার যাদবকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতিত্ব দেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ কে তৈরি করেছে টি-২০ বিশ্বকাপ ট্রফি? কোন কোন ধাতু দিয়ে তৈর? দাম জানলে অবাক হবেন
মাত্র ১৫ বলে অর্ধশতরান করে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে দ্রুততম ফিফটির তালিকায় নিজের নাম তুলেছেন দুবে। তবে ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়, দলের প্রয়োজন অনুযায়ী খেলাতেই বিশ্বাসী তিনি। তার মতে, মিডল ওভারে দ্রুত রান তোলা ও প্রতিপক্ষের উপর চাপ তৈরি করাই তার প্রধান ভূমিকা। এই আত্মবিশ্বাসী মানসিকতাই শিবম দুবেকে ভারতের জন্য একজন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ উইনার করে তুলছে।
