এর আগে বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের অনুরোধ জানিয়েছিল, যা আইসিসি প্রত্যাখ্যান করে। দুই দেশের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল।
ইভেন্টে আগে থেকেই অংশ না নেওয়া দলগুলোর মধ্যে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে (১৪তম) সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকায় স্কটল্যান্ড এই সুযোগ পায়। গত সপ্তাহে আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্তার ফোন পাওয়ার পর থেকেই ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের কর্মকর্তারা দিনরাত কাজ করে চলেছেন।
advertisement
এখন বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে তাদের সামনে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে সব খেলোয়াড়ের জন্য ভিসা, এর মধ্যে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পেসার সাফিয়ান শরিফও রয়েছেন। তাঁর জন্য ভারতে আসার জন্য ভিসার ব্যবস্থা করা এখন সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্কটল্যান্ড একটি বড় স্পনসর পাওয়ার চেষ্টা করছে এবং তারা আশাবাদী যে টুর্নামেন্টের জন্য নতুন খেলোয়াড়দের কিট দেশ ছাড়ার আগেই পৌঁছে যাবে। তাঁদের দলের এক কর্তা বলেছেন, “যদি নতুন কিট পাই সেটা বাড়তি পাওনা। না পেলে হয়তো আমাদের নিয়মিত ক্রিকেট স্কটল্যান্ডের কিটেই খেলতে দেখা যাবে। স্পনসর জোগাড় করতে আমাদের হাতে মাত্র সাত দিন সময় আছে।”
বিশ্বকাপের জন্য স্কটল্যান্ড কার্যত বাংলাদেশের সূচিই উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে এবং শুরুতে তারা বেঙ্গালুরুতে থাকবে। ২ ও ৪ ফেব্রুয়ারি বিসিসিআই-এর সেন্টার অব এক্সেলেন্সে আফগানিস্তান ও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে তাদের।
আরও পড়ুন- ভারতে খেলতে না আসায় নিজের জালেই ফাঁসল ঢাকা! বিশ্বকাপ বয়কটের জেরে প্রথম সাজা আইসিসির
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনের দিনে কলকাতার ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে খেলবে স্কটল্যান্ড, এবং এই মুহূর্তে সেই ম্যাচ পিছিয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা তারা দেখছে না।
