ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচে ৪০ ওভারে মোট রান উঠছে ৪৯৯ । এই সংখ্যাই বলে দিচ্ছে ওয়াংখেড়ের উইকেট বোলারদের জন্য কতটা দুঃস্বপ্নের মত ছিল। কিন্তু ইংল্যান্ড ও ফাইনালের মধ্যে যে ভারতীয় বোলার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন জসপ্রীত বুমরাহ। অন্যান্য বোলারদের যখন হেলায় বাউন্ডারি পার ফেলেছেন বেথেল, তখন জসপ্রীত বুমরাহ ৪ ওভারে মাত্র ৩৩ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। বিশেষ করে ১৮ তম ওভারে বুমরাহ প্রবল চাপের মুহূর্তে যে আঁটোসাটো বোলিং করেন তা ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দেয়। বাকি কাজটা শেষ করেন হার্দিক ও দুবে।
advertisement
ম্যাচ শেষে সঞ্জু স্যামসন, জেকব বেথেলের ইনিংস নিয়ে আলোচনার পাশে সেখানে জায়গা করে নিয়েছেন জসপ্রীত বুমরাহও। বিশ্বের যেকোনো উইকেটে, ক্রিকেটের যেকোনো ফরম্যাটে তিনি যে দলকে ম্যাচ জেতাতে পারেন তা আবারও প্রমাণিত। একইসঙ্গে ম্যাচে একটি উইকেট নিয়ে ইতিহাসের পাতাতেও নাম লিখিয়েছেন জস্সি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব ফরম্যাট মিলিয়ে ৫০০ উইকেটের মালিক হলেন বুমবুম। অষ্টম ভারতীয় বোলার হিসেবে এই নজির। এছাড়া বিশ্বে পেসারদের মধ্যেও তিনি অষ্টম হিসেবে এই কৃতিত্বের মালিক হলেন।
বুমরাহের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার ও বিশেষজ্ঞরা। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার সঞ্জয় মঞ্জেরেকর সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, “খেলার মধ্যে এত কিছু বলার আছে। দুই দলের ব্যাটিংই ছিল রোমাঞ্চকর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুই দলের মধ্যে পার্থক্য ছিল মাত্র একজনের। দুর্দান্ত জসপ্রীত বুমরাহ!” হর্ষ ভোগলেও বুমরাহের প্রশংসা করে বলেন,”ভারতের জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ ছোট ছোট পারফরম্যান্স। শেষে তিলক ভার্মা, সর্বত্র হার্দিক পান্ডিয়া, মাঠে অক্ষর দারুন… কিন্তু চিরকালের জন্য অমূল্য হীরা হলেন জসপ্রীত বুমরাহ।
প্রসঙ্গত, ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৫৩ রান করে ভারতীয় দল। সর্বোচ্চ ৪২ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন সঞ্জু স্যামসন। জবাব রান তাড়া করতে ইংল্যান্ডকে কার্যত একাই টানেন জেকব বেথেল। ৪৮ বলে ১০৫ রানের ইনিংস খেললেও শেষ পর্যন্ত তিনি সফল হননি। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ করে ইংল্যান্ড। ৭ রানে ম্যাচ জেতে ভারত।
