ফলে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে লাল-হলুদের হটসিটে বসবেন অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংহই। সুনীল ছেত্রীদের মুখোমুখি হওয়ার আগে আশার কথা শোনাতে পারলেন না রেনেডি। তাঁর মুখে সেই পুরনো কথাই, চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। রেনেডি বলেছেন, অনুশীলনে আমরা যেরকম খেলছি, সেভাবে ম্যাচে খেলতে পারলে ভাল ফল হবেই। সমস্যা এখানেই।
advertisement
আরও পড়ুন - Laxmiratan Shukla Covid Positive: করোনায় আক্রান্ত প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লা
মাঠ নেমে ভাল খেলতে পারছে না এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রতি ম্যাচেই ছোটখাটো ভুল হয়ে চলেছে, যে কারণে গোল হজম করতে হয়েছে। তবে চূড়ান্ত ব্যর্থ রাজু গায়কোয়াড়কে ম্যাচের পর ম্যাচ খেলিয়ে যাওয়ার যে ভুল দিয়াস করছিলেন, তা থেকে হয়তো সরে আসতে পারেন রেনেডি। ম্যাচের আগে তিনি বলেন, হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ম্যাচে খারাপ খেলিনি আমরা। পরের তিন-চারটে ম্যাচে আমি দলের দায়িত্বে থাকব।
ছ’দিন সময় পেয়েছি ছেলেদের সঙ্গে কাজ করার জন্য। ওরা এই ক’দিনে খুবই পরিশ্রম করেছে। আমি খুশি। এটা ধরে রেখে পরের ম্যাচেও লড়াই করতে হবে। গত পাঁচ-ছ’দিনে ছেলেরা যা করেছে, ম্যাচেও সেটাই করে দেখাতে হবে। বেঙ্গালুরু ম্যাচে তিন বিদেশিকে পাবে না লাল-হলুদ। আন্তোনিও পেরোসেভিচ নির্বাসিত। ফ্রানিয়ো পর্চে এবং ড্যারেন সিডোয়েলের চোট। তাঁরাও খেলতে পারবেন না।
রাজু, জ্যাকিচন্দ্রের চোট এখনও সারেনি। তবে যারা রয়েছে, তারা লড়াইয়ের জন্য যথেষ্ট তৈরি বলে জানিয়েছেন রেনেডি। দুই বিদেশির মধ্যে আমির দেরভিসেভিচ এবং চিমাকে পাবে ইস্টবেঙ্গল। ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে হানামতে, বিকাশ, সৌরভ, মহেশ সিং ইস্টবেঙ্গলের অন্যতম ভরসা।
তবে আজ ডিফেন্সে অভিজ্ঞ আদিল খানকে ফেরানো হতে পারে। অন্যদিকে বেঙ্গালুরু নিজেদের শেষ ম্যাচে চেন্নাইকে ৪-২ হারিয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে। তাদের হাতে তিনজন ব্রাজিলিয়ান, প্রিন্স ইবারার মত আফ্রিকান স্ট্রাইকার আছে। দ্বিতীয়ার্ধে নামানো হচ্ছে সুনীল এবং উদান্তকে। তাই আজকেও ইস্টবেঙ্গলের কাজ অত্যন্ত কঠিন। অ্যান্টোনিও
পেরোসেভিচের না থাকাটা ইস্টবেঙ্গলকে অর্ধেক দুর্বল করে দিয়েছে।
