ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। শুরি থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে চাপে ফেলে দেয় নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় ওভারে কোল ম্যাকঞ্চি পরপর নিজের স্পিনের জালে ফাঁসান কুইন্টন ডিকক ও রায়ান রিকলটন কে। ১২ রানে ২ উইকেট খুইয়ে বসে প্রোটিয়ারা। এরপর ছোট ছোট দুটি পার্টনারশিপ হলেও ভিল শট সিলেকশনের কারণে তা বড় জুটির রূপ পায়নি।
advertisement
এইডেন মার্করাম ও ডিওয়াল্ড ব্রেভিস ৪৩ রান যোগ করেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ১৮ রানে সাজঘরে ফেরেন মার্করাম। এরপর দলের ৭৭ রানে ফের পরপর দুটি উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ডেভিড মিলার ৬ ও ৩৪ রান করে আউট হন সেট ডিওয়াল্ড ব্রেভিস। ৭৭ রানে ৫ উইকেট হারে চাপ অনেকটাই বেড়ে যায় প্রোটিয়া শিবিরে। সেখান থেতে দলকে টানতে থাকেন মার্কো জানসেন ও ট্রিস্টান স্টাবস। একটু ঠান্ডা মাথায় শুরু করলেও সেট হতেই আক্রমণাত্মক শট খেলতে থাকেন দুই ওভারে।
আরও পড়ুনঃ কারা থাকছে দলে? কারা পড়ছে বাদ? সেমিফাইনালে ভারত-ইংল্যান্ডের একাদশে চমক! জেনে নিন বিস্তারিত
স্লগ ওভারে রানের গতিবেগ বাড়ান দুজনে। একের পর এক মারকাটারি শট খেলে নিজেদের ৫০ রানের পার্টনারশিপ পূরণ করেন ট্রিস্টান স্টাবস। ১৮ ওভারে দলের রান ১৫০-য় পৌছে দেয় দুই তারকা। ২৯ রান করে আউট হন স্টাবসষ। কিন্তু নিজের ঝোড়ো ইনিংস চালিয়ে যান জানসেন। ২৭ বলে নিজের ব্যক্তিগত হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন জানসেন। কিন্তু শেষের দিকে ফের পরপর কয়েকটি উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। যার ফলে শেষ ওভারে বেশি রান আসেনি। ৩০ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাতেন জানসেন।
