এই সাফল্যের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তাদের কোচ টুম্পা মাহাতো। হাতে-কলমে ফুটবলের বিভিন্ন কৌশল শেখানো থেকে শুরু করে শৃঙ্খলা, দলগত খেলায় পারদর্শিতা গড়ে তোলার দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে চলেছেন। তাঁর সঠিক দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় স্কুলের এই ছাত্রীরা ভবিষ্যতে আরও বড় মঞ্চে নিজেদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারবে বলে আশাবাদী স্কুল কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকরা।
advertisement
আরও পড়ুন: ১৯৩৭-এ শুরু, আজও পালিত হচ্ছে ধুমধামে! ৩৫০ মোদক পরিবারের প্রয়াস, মাঘ মাসের গণেশ পুজোয় নজির পুরুলিয়ায়
স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী প্রিয়াংশা গোস্বামী জানায়, “ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও মাঠে দাপিয়ে খেলতে পারে। আমাদের বাঙালির গর্ব বিশ্বকাপজয়ী রিচা ঘোষ যেভাবে ভারতের নাম উজ্জ্বল করেছে, একদিন আমরাও চাই ফুটবল খেলে আমাদের দেশ ও স্কুলের নাম উজ্জ্বল করতে।” অন্যদিকে তাদের কোচ টুম্পা মাহাতো বলেন, “সমাজে এখনও অনেক মানুষ আছেন যারা মেয়েদের ফুটবল খেলা ভাল চোখে দেখেন না। কিন্তু মেয়ে বলে কাউকে ঘরে আটকে রাখা বা বাইরের জগত থেকে দূরে রাখা উচিত নয়। মেয়েরাও চায় খেলাধুলার মাধ্যমে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে এবং দেশের সম্মান বাড়াতে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের এমন স্বপ্ন ও মানসিকতা আগামী দিনে সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। কাশীপুরের এই স্কুলছাত্রীরা নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতের পথে সাহসী এক নতুন দিশা দেখাচ্ছে।





