দলে জায়গা পাওয়া ছয়জন ক্রিকেটারের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম সাহিবজাদা ফারহান। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি। তার ওয়ানডে অভিষেকের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এছাড়া আবদুল সামাদ, মায়াজ সাদাকাত, মহম্মদ গাজি ঘোরি, সাদ মাসুদ ও শামিল হুসেইনও দলে সুযোদ়গ পেয়েছেন। তারা সবাই পাকিস্তান শাহিন্সের হয়ে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিপক্ষে খেলেছেন। গাজি ঘোরিকে নেওয়ায় দলে মহম্মদ রিজওয়ানের পাশাপাশি আরও একজন উইকেটকিপিং বিকল্প যুক্ত হয়েছে।
advertisement
শুধু বাবর ও আয়ুব নন, ২০২৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলা আরও কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটারও বাদ পড়েছেন। ফখর জামান, হাসিবুল্লাহ, মহম্মদ নওয়াজ ও পেসার নাসিম শাহ এই দলে নেই। তবে শাহিন শাহ আফ্রিদি অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে থাকছেন। আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফয়সাল আক্রাম, হ্যারিস রউফ, হুসেইন তালাত, মহম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ও সালমান আলি আঘা নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন।
একাধিক বাদ পড়া ক্রিকেটারদের মধ্যে বাবর আজমের বাদ পড়া নিয়ে আলোচনা বেশি হচ্ছে। একসময় সব ফরম্যাটে দলের ভরসা ছিলেন তিনি। কিন্তু টি-২০ বিশ্বকাপে খারাপ ফর্মের কারণে সমালোচনায় পড়েন। যদিও ওয়ানডে তার সেরা ফরম্যাট হিসেবে ধরা হয় এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে তিনি সেঞ্চুরিও করেছিলেন, তবুও নির্বাচকদের আস্থায় ঘাটতি দেখা গেছে।
আরও পড়ুনঃ কোন দুই দেশ যাবে টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে? হয়ে গেল বড় ভবিষ্য়দ্বাণী!
বিশ্লেষকদের মতে, ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে না পারলে বাবরের সামনে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। অন্যদিকে সাইম আয়ুবও হতাশ হবেন, কারণ ওয়ানডেতে তার গড় ৪৬.৯৪ এবং স্ট্রাইক রেট ১০০—যা যথেষ্ট ভালো। এখন দেখার বিষয়, নতুন এই দল বাংলাদেশ সফরে কেমন পারফরম্যান্স করে।
