সোশাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “কতজনের সৌভাগ্য হয় বলুন তো, মাতৃসমা ক্লাবের সঙ্গে নিজের নাম জুড়ে নেওয়ার। শান্তিদেবী ছিলেন এমন একজন, যিনি চলে গিয়েও ‘ মোহনবাগানের দিদা হয়ে থেকে যাবেন চিরকাল। আমি ওঁর চিরশান্তি কামনা করি। কর্মসমিতির বৈঠকে আমি প্রস্তাব জানাব, শান্তিদেবীর নামে, মোহনবাগান গ্যালারির একটা সিটের যাতে নামকরণ করা হয়। ওঁর পরিবারবর্গ ও নিকটজনদের প্রতি রইল সমবেদনা।”
advertisement
আরও পড়ুন – Thunderstorm Alert 2 Hours: আজও হবে লন্ডভন্ড! ধেয়ে আসছে ঝড়, বাজের আওয়াজে হবে বৃষ্টির দাপট
শান্তিদেবীর মৃত্যুতে শোক জ্ঞাপন করা হয়েছে মোহনবাগান ক্লাবের তরফেও। মৃত্যুকালে শান্তি দেবীর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। মধ্য কলকাতার অক্রুর দত্ত লেনে থাকতেন তিনি। মেয়ের মৃত্যুর পর নাত্নির হাত ধরে মাঠে যেতেন দিদা। মোহনবাগান জিতলে হাঁটুর বয়সীদের সঙ্গে সেলিব্রেশন করতে দেখা যেত শান্তি দেবীকে। বেশ কিছু দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
শুক্রবার তার লড়াই থেমে গেল ২০১৫ সালে তৈরি হয় লেডি মেরিনার্স। সেই ফ্যান ক্লাবের অন্যতম উদ্যোক্তা শান্তিদেবী। কয়েক বছর আগে মোহনবাগান দিবসে উমাকান্ত পালধির নামে সেরা সমর্থকের সম্মান দেওয়া হয়েছিল শান্তি দেবীকে।
Eeron Roy Burman
