এমন পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রশ্ন, যে আসলে এমনটা কেন? সচিনকে কি সত্যি বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়? ক্রিকেটের ঈশ্বর হওয়ার ‘আশীর্বাদ’ আছে, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই এর কারণ জানে না। চলুন জানা যাক সচিন তেন্ডুলকরের এয়ারপোর্টে চেকিং কেন হয় না?
advertisement
‘ভারতরত্ন’-র সুবিধা:
২০১৪ সালে সচিন তেন্ডুলকরকে ভারতরত্ন দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছিল। তিনি খেলার জগত থেকে ভারতরত্ন পাওয়া দেশের প্রথম ব্যক্তি। ভারত সরকারের প্রোটোকল অনুযায়ী, ভারতরত্ন পাওয়া ব্যক্তিদের দেশের এয়ারপোর্টে প্রি-এম্বার্কেশন সিকিউরিটি চেক থেকে ছাড় দেওয়া হয়। এই সুবিধা তাঁদের সারাজীবন থাকে এবং তাদের জীবনসঙ্গীকেও এই সুবিধা দেওয়া হয়। Aviation Security Authority তাদের নাম একটা স্পেশাল তালিকায় রাখে। ভারতরত্ন দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান। এর প্রাপকদের অনেক আজীবন সুবিধা দেওয়া হয়। এর মধ্যে আছে– এয়ার ইন্ডিয়া এবং ভারতীয় রেলে ফার্স্ট ক্লাস বা এক্সিকিউটিভ ক্লাসে আজীবন ফ্রি ট্রাভেল, সংসদে অংশ নেওয়ার অধিকার, ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমতুল্য ফরমাল স্ট্যাটাস, দরকার হলে Z+ সিকিউরিটি কভার এবং বিদেশ সফরে VVIP প্রোটোকল। এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি ছাড়ও এই ক্যাটাগরির একটি অংশ।
ধোনিকে নিয়ে তুলনা শুরু:
সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ধোনিকে চেকিং করতে এবং সচিনকে সহজেই বিমানবন্দরে এন্ট্রি করতে দেখা গিয়েছিল। ধোনিকে নিয়ে বললে, উনিও ক্রিকেট আইকন এবং তাঁকে অনেক সম্মান দেওয়া হয়। কিন্তু ধোনি সচিনের মতো ভারতরত্ন পাননি। তাই মাহিকে সাধারণ সিকিউরিটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই যেতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রোটোকল অনেক দেশে উচ্চ সম্মান পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য আছে। ভারতেও এটা সংবিধানিক পদাধিকারী, সাবেক রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং ভারতরত্নের মতো সম্মানিত ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য।
