সালেহ মহম্মাদি একজন উঠতি কুস্তিগীর। তাঁকে বৃহস্পতিবার সঈদ দাভেদি এবং মেহেদি ঘাসেমির সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারির বিক্ষোভ চলাকালীন দুজন পুলিশ সদস্যকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছিল। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফাঁসির কার্যক্রম কুম শহরে মানুষের একটি সমবেত উপস্থিতির সামনে সম্পন্ন করা হয়েছিল। অর্থাৎ এই ফাঁসি দেওয়া হয় প্রকাশ্যে।
advertisement
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯ মার্চ, ২০২৬-এ ফাঁসি কার্যকর করা তিনজনের মধ্যে ছিলেন তাঁরা। তাঁরা ছিলেন ডিসেম্বর ২০২৫-এর শেষ দিকে শুরু হওয়া এবং জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চলা দেশব্যাপী উত্তেজনার সঙ্গে যুক্ত। ইরান মানবাধিকার কমিশন এই মামলার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সতর্ক করেছে যে আরও ফাঁসির ঘটনা ঘটতে পারে।
ইরানের অনেকে বলছেন, এই ফাঁসি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড। মানবাধিকার সংস্থাগুলি জানিয়েছে, সালেহকে নির্যাতনের মাধ্যমে ইরান আরও অনেক বিক্ষোভকারীকে বার্তা দিয়েছে।
আরও পড়ুন- কেকেআরের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ! হর্ষিত রানার বদলি কে? ৩ জনের পরীক্ষা নিচ্ছে নাইটরা!
নরওয়ে-ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ইরান হিউম্যান রাইটস এই ঘটনায় দ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের আশঙ্কা, ইরান সরকার খুব শীঘ্রই আরও কয়েকজন ফাঁসিকাঠে ঝোলাতে পারে। ওই সংগঠনের পরিচালক মাহমুদ এমিরি মোঘাদ্দম বলেছেন, ‘যাঁদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে অন্যায্য বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে রায় দেওয়া হয়েছে। নির্যাতন ও জোর করে আদায় করা স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে।’
