আরও পড়ুন: ভবানীপুর, নন্দীগ্রাম-সহ ১৭৩ থানার ওসি বদল! ভোটের আগে পুলিশে বিরাট রদবদল করল কমিশন
টস হেরে ফিন অ্যালেন আর অজিঙ্ক্য রাহানে কেকেআরের হয়ে শুরুটা খারাপ করেননি, প্রথম উইকেটের জন্য ৫.২ ওভারে ৬৯ রান যোগ করেন। যদিও অ্যালেন ৩৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন। এরপর ক্রিজে আসেন ক্যামেরন গ্রিন। গ্রিন সিঙ্গেল নিয়ে খাতা খোলেন এবং পরের ওভারে একটি বিশাল ছয় মারেন, তখন মনে হচ্ছিল তিনি প্রথম ম্যাচেই বড় কিছু করবেন, কিন্তু এরপর এই ২৫ কোটির খেলোয়াড় শুধু একটি চারই মারতে পেরেছিলেন এবং পরে আউট হয়ে যান। ইনিংসের নবম ওভারের পঞ্চম বল শার্দুল ঠাকুর শর্ট ও স্লো দেন, সেটি বাউন্ডারি পার করতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন। শেরফেন রাদারফোর্ড তার ক্যাচ নেন। গ্রীন যদি বলটি ঠিকমতো টাইম করতেন তাহলে ছয়ও হতে পারত। তিনি ১০ বলে এক চার ও এক ছয়ের সাহায্যে ১৮ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান করে কেকেআর।
advertisement
রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই পাল্টা মারারে পতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকলটন। একের পর এক মারকাটারি শট খেলেন দুই তারকা ব্যাটার। রোহিত-রিকলটনের ব্যাটিংয়ের সামনে কোনও জবাবই ছিল নান নাইট বোলারদের। পেস অ্যাটাক নিয়ে কেকেআরের প্রথম থেকেই সংশয় ছিল, কিন্তু নারিন-বরুণ সমৃদ্ধ স্পিন অ্যাটাক ভরসা ছিল কেকেআরের। কিন্তু এদিন দুই তারকা পেসারকেও তুলোধনা করেন মুম্বইয়ের দুই ওপেনার। রোহিত শর্মা একের পর এক অনব্য শট খেলে মাত্র ২৩ বলে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলে আউট হন রোহিত।
রোহিত আউট হলেও রায়ান রিকলটন নিজের ইনিংস চালিয়ে যান। তিনিও নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে মাঠে নেমে অবশ্য বড় স্কোর করতে পারেননি সূর্যকুমার যাদব। ১৬ রান করে স্কাই। হাফ সেঞ্চুরি করার পর রানের গতি আরও বাড়ান রিকলটন। শেষ পর্যন্ত রান আউট হয়ে থামেন প্রোটিয়া তারকা। ৪৩ বলে ৮১ রানের মারকাটারি ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর তিলক বর্মা ও হার্দিক পান্ডিয়া মিলে সহজেই দলকে জয়ের দোরগোড়ায় পৌছে দেন। শেষের দিকে ২০ রান করে আউট হন তিলক বর্মা। শেষ পর্যন্ত ৫ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জেতে মুম্বই।
