দল যখন বিপর্যয়ের মুখে, তখন দায়িত্ব নেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তিনি একপ্রান্ত ধরে রেখে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। ৪৯ বলে অপরাজিত ৮৪ রান করে তিনি ভারতকে লড়াইয়ের মতো স্কোরে পৌঁছে দেন। তবে তাঁর ইনিংস ছাড়া অন্য ব্যাটারদের অবদান ছিল খুবই কম। তিলক ভার্মা ২৫ রান করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার হন, আর মোট ১১ জন ব্যাটারের মধ্যে মাত্র চারজন দুই অঙ্কের রান করতে সক্ষম হন।
advertisement
পাওয়ারপ্লে শেষে ভারতের স্কোর ছিল ৪৬ রান, যা ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের তৃতীয় সর্বনিম্ন। ১৩ ওভার শেষে স্কোর দাঁড়ায় ৭৭/৬—এই পর্যায়ে ভারতের চতুর্থ সর্বনিম্ন রান। আরও উদ্বেগের বিষয় ছিল ৫ম থেকে ১০ম ওভারের মধ্যে টানা ২৭ বল কোনো বাউন্ডারি না আসা।
ম্যাচের এই দুর্বল শুরু নিয়ে প্রাক্তন ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিন সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ওয়াংখেড়ে উইকেট আইপিএলের মতো না হওয়ায় ব্যাটাররা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারছেন না। জয় এলেও ভারতের এই পারফরম্যান্স চিন্তার কারণ হয়ে থাকল।
