ইনদওরে সিরিজ নির্ণায়ক ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় দল। ৫ রানের মধ্যে দুটি ও ৫৮ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ম্যাচের শুরুতে চাপে পড়ে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড দল। কিন্তু প্রবল চাপের মধ্যে ফের একবার ভারতীয় বোলারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন ড্যারিল মিচেল ও গ্লেন ফিলিপস। তাদের ২১৯ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপ পাল্টা ভারতীয় দলকে চাপে ফেলে দেয়।
advertisement
ড্যারিল মিচেল প্রথম বিদেশী ব্যাটার হিসেবে ভারতের মাটিতে ভারতের বিরুদ্ধে টানা ৫টি ৫০ বা তার বেশি স্কোর করা প্রথম ব্যাটার হন। নিজের সেঞ্চুরিও পূরণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১৩১ বলে ১৩৭ রানের ইনিংস খেলে আউট হন মিচেল। অপরদিকে, ড্যারিল মিচেলকে প্রথমে ঠান্ডা মাথায় সঙ্গ দেন গ্লেন ফিলিপস। এরপর সেট হতেই একের পর এক চোখ ধাঁধানো শট খেলেন তিনি। সেঞ্চুরিও করেন। ৮৮ বলে ১০৬ রানের মারকাটারি ইনিংস খেলে আউট হন ফিলিপস। মিচেল ও ফিলিপস আউট হওয়াক পর দ্রুত কয়েকটি উইকেট পড়ে কিউইদের। তবে শেষের দিকে ১৮ বলে ২৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন ব্রেসওয়েল। ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৩৭ রানে পৌছে যায় নিউজিল্যান্ড।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি ভারতীয় দলের। ৩৩৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে ৭১ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে বসে ভারত। সাজঘরে ফেরত যান রোহিত, গিল, শ্রেয়স, রাহুল। সেই সময় একদিক থেকে একা লড়াই চালিয়ে যান কোহলি। ঠান্ডা মাথায় নিজের কাজ করে গিয়েছেন বিরাট কোহলি। সেট হতেই প্রয়োজন মত রানের গতিবেগও বাড়িয়েছেন। তাকে কিছুটা সঙ্গ দেন নীতিশ রেড্ডি। ৮৮ রানের পার্টনারশিপ করেন দুজনে। কোহলি নিজের হাফ সেঞ্চুরি করেন। নীতিশ রেড্ডি ৫৩ রান করে আউট হন নিরাশ করেন জাদেজাও।
আরও পড়ুনঃ Virat Kohli: চাপের মুহূর্তে কোহলির রাজকীয় সেঞ্চুরি, বুঝিয়ে দিলেন ওডিআই ক্রিকেটে এখনও তিনিই ‘কিং’
এরপর হর্ষিত রানা ও বিরাট কোহলি মিলে দলকে টেনে নিয়ে যান। তাদের ৯৯ রানের পার্টনারশিপ আশা জাগিয়েছিল ভারতকে। একের পর এক চোখ ধাঁধানো শট খেলেন কোহলি ও রানা। নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন রানা। কোহলি ৯১ বলে নিজের আন্তর্জাতিক একদিনের কেরিয়ারে ৫৪ তম সেঞ্চুরি করেন। কিন্তু রানা ৫২ ও কোহলি ১২৪ রানে ফিরতেই সব আশা শেষ হয়ে যায়। ২৯৬ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস।
