ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। অভিষেক শর্মা এদিনও ব্যর্থ হন। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে অপরাজিত থেকে যেখানে শেষ করেছিলেন সঞ্জু স্যামসন, ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঠিক সেখান থেকেই শুরু করেন। মারকাটারি ইনিংস খেলে একের পর এক চোখ ধাঁধানো শট খেলেন সঞ্জু। ২৬ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। ২১১.৯০ স্ট্রাইকরেটে তার ইনিংসে রয়েছে ৭টি ছয় ও ৮টি চার।
advertisement
সঞ্জু ছাড়া নজর কাড়া ইনিংস খেলেন শিবম দুবে। তিনিও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। বেশ কিছু অনবদ্য শট খেলেন তিনি। ২৫ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ইশাম কিশান করেন ১৮ বলে ঝোড়ো ৩৯। এছাড়া সূর্যকুমার যাদব ১১, হার্দিক পান্ডিয়া ২৭ ও তিলক বর্মাও ২১ রানের উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান করে টিম ইন্ডিয়া।
রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন ইংল্যান্ড। ফিল সল্ট ও হ্যারি ব্রুকের বড় স্কোর করতে পারেননি। তবে জেকব বেথেল ও জস বাটলার ইংল্যান্ডের রান চেজের লড়াইকে অক্সিজেন দেয়। বাটলার ২৫ রান করে আউট হলেও বেথেল বিধ্বংসী ব্যাটিং করে কার্যত একার কাঁধে টানতে থাকে ইংল্যান্ড দলকে। তাকে কিছুটা সঙ্গ দেন উইল জ্যাকস। তাদের ঝোড়ো ৭৭ রানের পার্টনারশিপ ইংল্যান্ডের জয়ের আশা জাগিয়েছিল।
জ্যাকস ৩৫ রান করে আউট হব। তবে বেথেল নিজের পাওয়ার হিটিং চালিয়ে যান। নিজের সেঞ্চুরিও পূরণ করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ১০৫ রানের ইনিংস খেলে রান আউট হন তিনি। ইংল্যান্ড ও ফাইনালের মধ্যে যে ভারতীয় বোলার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন জসপ্রীত বুমরাহ। অন্যান্য বোলারদের যখন হেলায় বাউন্ডারি পার ফেলেছেন বেথেল, তখন জসপ্রীত বুমরাহ ৪ ওভারে মাত্র ৩৩ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন। বিশেষ করে ১৮ তম ওভারে বুমরাহ প্রবল চাপের মুহূর্তে যে আঁটোসাটো বোলিং করেন তা ম্যাচের মোড় ঘুড়িয়ে দেয়। বাকি কাজটা শেষ করেন হার্দিক ও দুবে।
