ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ভারত। শুরুতে পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় জুনিয়র টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু বৈভব সূর্যবংশী ও অভিজ্ঞান কুণ্ডুর ব্যাটে ভর করে লড়াই করার মত স্কোরে পৌছে যায় ভারত। মাত্র ৩০ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন বৈভব। ৬৭ বলে ৭২ রানের ইনিংস খেলে আউট হন বৈভব। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংস।
advertisement
বৈভব সূর্যবংশী ও অভিজ্ঞান কুণ্ডুর ৬২ রানের পার্টনারশিপে ভর করে ম্যাচে ফেরে ভারত। বৈভব আউট হওয়ার পর একদিক থেকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়লেও দুরন্ত ব্যাটিং করেন অভিজ্ঞান। ১১২ বলে ৮০ রান করেন অভিজ্ঞান কুণ্ডু। বৈভব ও অভিজ্ঞান ছাড়া কোনও ভারতীয় ব্যাটার এদিন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সেভাবে বড় স্কোর করতে পারেননি। নীচের দিকে ২৬ বলে ২৮ রান করেন কণিষ্ক চৌহান। শেষ পর্যন্ত ২৩৮ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল করে বাংলাদেশ। আজিজুল হাকিম তামিমের ৫১ রানের ইনিংস ও রিফাত বেগের ৩৭ রানের ইনিংস ভারতকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল। মাঝে বৃষ্টির কারণে দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে খেলা। বৃষ্টি থামার পর বাংলাদেশের টার্গেট দাঁড়ায় ২৯ ওভারে ১৬৫। সেই সময় বাংলাদেশের ওভার পিছু রান দরকার ৭, হাতে আট উইকেট। ভারতের হার সময়ের অপেক্ষা বলে মনে হচ্ছিল।
কিন্তু বৃষ্টি যে বাংলাদেশেল জয়ের ভাগ্য ধুয়ে যাবে তা কেউ ভাবতেও পারেনি। ভিহান মালহোত্রার দুরন্ত বোলিং করে একাই ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচের রং বদলে দেন। ব্যাটিংয়ের পর ফিল্ডিংয়ে বাউন্ডারি লাইনে দুরন্ত ক্যাচ ধরে ভারতের জয়ে বড় ভূমিকা নেন বৈভব সূর্যবংশী। যা অনেকটা মনে করায় টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে সূর্যকুমার যাদবের ক্যাচকে। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলিং কামব্যাকে ধরাশায়ী হয়ে যায় বাংলাদেশের ব্যাটিং। ১৮ রানে ম্যাচ জেতে টিম ইন্ডিয়া।
