এদিন ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজস্থান রয়্যালস। ওপেনিং জুটিতে দুরন্ত শুরু করেন দুরন্ত শুরু করেন দুই তারকা যশস্বী জয়সওয়াল ও বৈভব সূর্যবংশী। পাওয়ার প্লে-তেই মারকাটারি ব্যাটিং করে ৭০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ফেলেন। বৈভব ৩১ রানে আউট হলেও নিজের ইনিংস চালিয়ে যান যশস্বী ও হাফসেঞ্চুরি করেন। প্রথম ডাউন ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একটু ধীর গতির করলেও সেট হতেই একের পর এক চোখ ধাঁধানো শট খেলেন ধ্রুব জুরেল। যশস্বীর সঙ্গে জুটি বেঁধে ৫৬ রান যোগ করেন। এরপর যশস্বী ফেরে ৫৫ রানে।
advertisement
একদিক থেকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে রাজস্থান রয়্যালস। কিন্তু অপরদিকে, দুরন্ত ব্যাটিং করেন ধ্রুব জুরেল। ক্রিকেটীয় শটেও যে টি-২০ ক্রিকেটে রান করা যায় তা বুঝিয়ে দেন ভারতীয় তারকা। নিজের হাফ সেঞ্চুরিও পূরণ করেন। তারপর রানের গতি আরও বাড়ান। ধ্রুব জুরেলের ব্যাটে ভর করেই ২০০ পার করে রাজস্থান রয়্যালসের স্কোর। শেষ পর্যন্ত শেষ ওভারে ৪২ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। ৫টি ছক্কা ও ৫টি চার মারেন তিনি। ৬ উইকেট হারিয়ে ২১০ করে রাজস্থান রয়্যালস।
রান তাড়া করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ভাল শুরু করেম সাই সুদর্শন ও কুমার কুশাগ্র। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন সুদর্শন। কুমার কুশাগ্র তাকে সঙ্গ দেন। ৮ ওভারে ৭৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েন দুজনে। নিজের হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন সাই সুদর্শন। খেলেন একের পর এক চোখ ধাঁধানো শট। কুমার কুশাগ্র আউট হন ব্যক্তিগত ১৮ রানে। দলের ১০৭ রানে মাথায় আউট সদুর্শন। ৪৪ বলে ৭৩ রানের ইনিংস সাজানো ৯টি চার ও ৩টি ছয়ে।\
আরও পড়ুনঃ আগুনে গতিতে বল! স্পিডের নিরিখে আইপিএলে নতুন রেকর্ড! কে এই অশোক শর্মা?
এরপর জস বাটলার চেষ্টা করলেও অপরদিক থেকে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে। গ্লেন ফিলিপস, ওয়াশিংটন সুন্দর, রাহুল তেওয়াটিয়া, শাহরুখ খান কেউই বড় স্কোর করতে পারেননি। জস বাটলারও চাপের মধ্যে ২৬ রান করে আউট হন। লাগাতার উইকেট পড়ায় ওভার পিছু রানও বাড়তে থাকে। শেষের দিকে রাশিদ খান ও কাগিসো রাবাডা আশা জাগিয়েছিলেন মারকাটারি ব্যাটিং করে। ২৪ রাশিদ খান ও রাবাডা ২৩ রান করেন। কিন্তু তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২৯৪ করে গুজরাত টাইটান্স। রবি বিষ্ণোই ৪টি উইকেট নিয়ে রাজস্থানের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন।
