ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলায় তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনেইয়ের মৃত্যু এবং তার পরবর্তীতে যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে তারা অংশগ্রহণ করবে না বলেই ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান৷ এবারই ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথমবার ৪৮টি দেশ অংশগ্রহণ করবে৷ আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে ফুটবল বিশ্বকাপ৷
advertisement
যদিও ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করা অথবা না করা নিয়ে বিন্দুমাত্র বিচলিত নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁর সাফ জবাব, আমার সত্যিই এতে কিছু যায় আসে না৷ ইরান খুব বিশ্রী ভাবে পরাজিত হয়েছে৷ ওরা রাগের বশবর্তী হয়ে সবকিছু করছে৷
ফুটবল বিশ্বকাপে গ্রুপ সি-তে বেলজিয়াম, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ছিল ইরান৷ গ্রুপ পর্যায়ে দুটি ম্যাচ লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি ম্যাচ সিয়াটেলে খেলার কথা রয়েছে ইরানের৷ যদিও ইরানের ফুটবল ফেডারেশন ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তাদের বিশ্বকাপ বয়কটের সম্ভাবনা প্রবল৷ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানের ঘরোয়া লিগের খেলাও বন্ধ রাখা হয়েছে৷ ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেন, এই নিষ্ঠুরতা এবং হামলার জেরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে আমরা কোনওভাবেই বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে ইতিবাচক কিছু ভাবতে পারছি না৷
যদিও ফিফা ইরান ফুটবল ফেডারেশনের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছে৷ ফিফা-র সেক্রেটারি জেনারেল মাত্তিয়াস গ্রাফস্টর্ম জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে৷ এত আগে থেকে কিছু বলা ঠিক হবে না৷ পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, আমরা নজর রাখছি৷ তবে সংবাদসংস্থা এএফপি-র খবর অনুযায়ী, বিশ্বকাপ বয়কট করা নিয়ে ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে ফিফা-র এখনও কোনও আলোচনা হয়নি৷
ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য ফিফার নিয়মাবলী অনুযায়ী, কোনও দেশ যদি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করে অথবা নাম প্রত্যাহার করে সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যে কোনও পদক্ষেপ করার অধিকার ফিফা-র রয়েছে৷ সেক্ষেত্রে ইরান বিশ্বকাপে না খেললে এশিয়ারই অন্য কোনও দেশ সুযোগ পেতে পারে৷
