২০০৫ সালে অশোক দিন্দার বাংলা জার্সিতে অভিষেক হয়। অটলদেব বর্মনের ছাত্র শুরু থেকেই তার ফাস্ট বোলিংয়ে নজর কাড়তে থাকেন। সঠিক লাইন-লেংথে গতি আর ইয়র্কার ছিল দিন্দার অন্যতম অস্ত্র। মেদিনীপুরের নৈছন্দ্রপুর থেকে টেনিস বলের ক্রিকেট খেলে উত্থান হয়েছিল অশোক দিন্দার। বাংলা থেকে সাফল্য পাওয়ার পর আইপিএলে অভিষেক হয় ডানহাতি এই বোলারের। নেটে বোলিংয়ের সময় রিকি পন্টিং পছন্দ করেন অশোক দিন্দাকে। পরবর্তী সময় ভারতীয় জার্সিতেও অভিষেক হয়। একদিন এবং টি-টোয়েন্টি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেন দিন্দা। ভারতের হয়ে ১৩টি একদিনের ম্যাচে ১২টি উইকেট পেয়েছেন। ৯টি-২০টি ম্যাচ খেলে ১৭ উইকেট পেয়েছেন দিন্দা। আইপিএলে ২০০৮ সালে নাইট জার্সিতে অভিষেকের বছরই ১৩ ম্যাচে ৯ উইকেট নেন। ইরানি ট্রফিতে অবশিষ্ট ভারতীয় একাদশে জায়গা করে নেন দিন্দা। শ্রীলংকার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় তার। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একদিনে ক্রিকেটে অভিষেক হয় দিন্দার। কেকেআর ছাড়াও দিল্লি, বেঙ্গালুরু, পুনের মত আইপিএল দলে খেলেছেন দিন্দা। আইপিএলে মোট ৭৮টি ম্যাচ খেলে ৬৯ উইকেট পেয়েছেন।
advertisement
তবে অশোক দিন্দার প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সাফল্য সবচেয়ে বেশি। ১১৬টি ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে ৪২০টি উইকেট নিয়েছেন। ৯৮টি লিস্ট "এ" ম্যাচে ১৫১ উইকেট নিয়েছেন। মঙ্গলবার সিএবিতে স্ত্রীকে নিয়ে এসেছিলেন নিন্দা। সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া স্মারক তুলে দেন দিন্দার হাতে। উপস্থিত ছিলেন সিএবি সচিব স্নেহাশীষ গঙ্গোপাধ্যায় ও যুগ্ম সচিব দেবব্রত দাস। বাংলার ভবিষ্যতে ক্রিকেটার তুলে আনার জন্য যে কমিটি রয়েছে তাতে দিন্দাকে থাকার জন্য আহবান করেন অভিষেক ডালমিয়া। বাংলা ক্রিকেটের জন্য কাজ করতে চান অশোক দিন্দা নিজেও। তবে দিন্দার ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, রাজনীতিতে যোগদানের সম্ভাবনা রয়েছে প্রাক্তন ভারতীয় তারকার। তবে এই নিয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ আনপ্রেডিক্টেবল অশোক দিন্দা।
