গুজরাত টাইটান্স দলের ব্যাটিং কোচ পার্থিব প্যাটেল এবং অন্তর্বর্তী অধিনায়ক রাশিদ খান জানিয়েছেন, গিলের চোট গুরুতর নয় এবং তিনি খুব শিগগিরই মাঠে ফিরতে পারেন। এতে দল ও সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। ২০২২ সালে গুজরাত দলে যোগ দেওয়ার পর থেকে টানা ৬১টি ম্যাচ খেলেছিলেন গিল, যা তার ধারাবাহিকতার প্রমাণ। কিন্তু এই প্রথমবার তাকে ম্যাচের বাইরে থাকতে হয়। ম্যাচের আগে তার ঘাড়ে ব্যান্ডেজ দেখা যায়, যা থেকে বোঝা যায় পুরনো চোটের সমস্যাই আবার ফিরে এসেছে। কয়েক দিন আগে তিনি ঘাড়ে টান অনুভব করেছিলেন এবং সেই কারণেই তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়। কোচ পার্থিব প্যাটেল বলেন, বিষয়টি গুরুতর নয় এবং পরের ম্যাচে তাকে পাওয়া যেতে পারে।
advertisement
গিলের অনুপস্থিতিতে দলে সুযোগ পান তরুণ উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান কুমার কুশাগ্র। তিনি প্রথমবারের মতো দলের হয়ে ওপেন করতে নেমেছিলেন। যদিও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি, তবুও তার মধ্যে সম্ভাবনার ঝলক দেখা গেছে। অন্যদিকে, ওপেনিংয়ে সাই সুদর্শন দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ৪৪ বলে ৭৩ রান করেন। তিনি ইনিংসের গতি ধরে রেখে দলকে শক্ত ভিত এনে দেন।
তবে দলের মধ্যক্রম ব্যাটিং ভেঙে পড়ায় সেই ভালো শুরু কাজে লাগেনি। জস বাটলার দ্রুত আউট হয়ে যান এবং এরপর একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে। ফলে চাপ বেড়ে যায় গুজরাতের ওপর। শেষদিকে রাশিদ খান ও কাগিসো রাবাডা মিলে লড়াই চালিয়ে যান এবং গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তোলেন। তাদের ব্যাটিংয়ে ম্যাচে কিছুটা উত্তেজনা ফিরে আসে এবং জয়ের আশা জাগে।
আরও পড়ুনঃ Kolkata Knight Riders: কেকেআর তারকা মুজারবানির উচ্চতা নিয়ে মজাদার ভিডিও! হেসে পেটে খিল ধরবে আপনারও!
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১১ রান দরকার ছিল, কিন্তু প্রতিপক্ষের বোলার তুষার দেশপান্ডে দুর্দান্ত বোলিং করে সেই লক্ষ্য রক্ষা করেন। ফলে গুজরাত টাইটান্স টানা দ্বিতীয় হার মেনে নিতে বাধ্য হয়। এই অবস্থায় দলের জন্য অধিনায়ক গিলের দ্রুত ফিরে আসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার নেতৃত্ব ও ব্যাটিং শক্তি দলের ভারসাম্য ফেরাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে, এবং আগামী ম্যাচে তিনি মাঠে ফিরলে দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়বে।
