আইপিএল শুরু হওয়ার পর থেকে বিরাট কোহলিরদের ট্রফির স্বাদ পেতে ১৮ বছর অপেক্ষা করতে হয়। যদিও মহিলা দলের হাত ধরেই কেটেছিল ফ্র্য়াঞ্চাইজির ট্রফির খরা। ২০২৪ সালে প্রথমবার ডব্লুউপিএল জেতে আরসিবি। আর তারপরের বছর ২০২৫ সালে ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আইপিএব জেতা বিরাট কোহলিরা। আর ২০২৬ সাবে ফের ডব্লুউপিএল জিতে আরসিবি প্রথম দল হিসে দুটি ট্রফি একই বছরে জয়ের নজির গড়ল। যা এর আগে কেউ পারেনি। একইসঙ্গে আইপিএল ও ডব্লুউপিএল মিলিয়ে পরপর ৩ বছর ট্রফি এল আরসিবির ঘরে।
advertisement
প্রসঙ্গত, ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় আরসিবি। প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৩ রানের বড় স্কোর করে দিল্লি ক্যারপিটালস। দিল্লির হয়ে সর্বোচ্চ ৩৭ বলে ৫৭ রানের ইনিংস ইনিংস খেলেন জেমাইমা রড্রিগেস। এছাড়া লওরা উলভার্ট ৪৪, লিজলি লি ৩৭, চিনলি হেনরি ৩৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। ২০৪ রানের টার্গেট দেয় দিল্লি।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতে গ্রেস হ্যারিসের উইকেট হারায় আরসিবি। কিন্তু তারপর খেলার রং বদলে দেয় স্মৃতি মন্ধনা ও জর্জিয়া ভলের ইনিংস। বিধ্বংসী ব্যাটিং করে শতরানের পার্টনারশিপ করেন দুজনে। দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলিং নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করেন আরসিবির দুই তারকা ব্যাটার। দুজনেই হাফ সেঞ্চুরি করেন। স্মৃতি ও জর্জিয়ার একের পর এক আক্রমণাত্মক শটের কোনও জবাব ছিল দিল্লি বোলারদের কাছে। মহিলা আইপিএলের ইতিহাসে সবথেকে বড় ১৬৫ রানের পার্টনারশিপ করেন দুজনে।
৫৪ বলে ৭৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন জর্জিয়া। এরপরই বদলে যায় ম্যাচের রং। পার্টনারশিপ ভাঙতেই পরপর উইকেট পড়ে। রিচা ঘোষ ৬ ও স্মৃতি মন্ধনা ৪১ বলে ৮৭ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় আরসিবি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১১ রান। পরপর দুটি চার মেরে আরসিবিকে চ্যাম্পিয়ন করেন রাধা যাদব। ৬ উইকেটে জয় পেল বেঙ্গালুরু।
