এই ইনিংসে অভিষেক মারেন পাঁচটি চার ও আটটি ছয়। শুরু থেকেই তিনি নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন। তাঁর ব্যাটিংয়ে ছিল পরিষ্কার পরিকল্পনা ও আত্মবিশ্বাস। প্রতিটি শটেই বোঝা যাচ্ছিল, তিনি নিজের শক্তি সম্পর্কে কতটা সচেতন। এই ইনিংসের মাধ্যমেই তিনি দেখিয়ে দেন কেন তাঁকে বর্তমানে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম ভয়ঙ্কর ব্যাটার হিসেবে ধরা হয়।
advertisement
ম্যাচ শেষে নিজের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেন অভিষেক। তিনি জানান, নিয়মিত নিজের ব্যাটিংয়ের ভিডিও দেখেন। এর মাধ্যমে তিনি বুঝতে পারেন, বোলাররা তাঁর বিরুদ্ধে কীভাবে বল করতে চাইছে। কোথায় বল ফেললে তিনি কোন শট খেলেন, সেটাও তিনি ভিডিও দেখে বিশ্লেষণ করেন। তাঁর কথায়, “আমার কাছে খুব বেশি শট নেই। তাই যেগুলো আছে, সেগুলোই আমি বারবার অনুশীলন করি এবং ম্যাচে কাজে লাগাই।”
অভিষেক আরও বলেন, শুরু থেকেই দলের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছিল এবং তাঁরা সেটাই অনুসরণ করছেন। তাঁর মতে, টি-টোয়েন্টিতে যদি ২০০ স্ট্রাইক রেটে খেলতে হয়, তাহলে শুরু থেকেই আগ্রাসী মানসিকতা দরকার। প্রতিপক্ষ দল তাঁর জন্য আলাদা পরিকল্পনা করবেই। তাই নিজের প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাসই সবচেয়ে বড় ভরসা বলে মনে করেন তিনি।
যদিও তাঁকে খুব আক্রমণাত্মক ব্যাটার হিসেবে দেখা হয়, তবুও অভিষেক নিজেকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ খেলোয়াড় মনে করেন না। তিনি জানান, তিনি কখনও রেঞ্জ হিটিং করেন না। তিনি মূলত টাইমিংয়ের ব্যাটার। বল ভালোভাবে দেখে, কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে শট খেলাই তাঁর লক্ষ্য। নেট অনুশীলনেও তিনি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রস্তুতি নেন।
আরও পড়ুনঃ রানে ফিরেই জোড়া মাইলস্টোন সূর্যকুমার যাদবের, আত্মবিশ্বাস বাড়ল ভারত অধিনায়কের
ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবও অভিষেকের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, অভিষেক শুধু মাঠে নয়, মাঠের বাইরেও খুব পেশাদার আচরণ করেন। হোটেল, টিম বাস—সব জায়গায় তাঁর শৃঙ্খলা ও মানসিকতা মাঠে প্রতিফলিত হয়। আর সেই পরিশ্রমের ফলই এখন পাচ্ছেন অভিষেক শর্মা।
