করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পিটিভির প্রতিপক্ষ ছিল সুঁই নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেড (এসএনজিপিএল)। টস জিতে এসএনজিপিএলের অধিনায়ক শামীল হুসেন প্রথমে পিটিভিকে ব্যাটিংয়ে পাঠান। পিটিভি প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৬৬ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের হয়ে আমাদ বাট সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন। এসএনজিপিএলের পক্ষে শাহজাদ গুল ৪০ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন, যা পিটিভির ব্যাটিং ভেঙে পড়ার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
advertisement
জবাবে এসএনজিপিএল প্রথম ইনিংসে শক্তিশালী ব্যাটিং প্রদর্শন করে। উইকেটকিপার ব্যাটার সাইফুল্লাহ বাঙ্গাশের ৭১ রানের ইনিংসে ভর করে তারা ২৩৮ রান সংগ্রহ করে এবং ৭২ রানের লিড নেয়। পিটিভির বোলারদের মধ্যে আমাদ বাট, ইসরার হুসেন এবং আলি উসমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তবুও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তখন পুরোপুরি এসএনজিপিএলের হাতে বলেই মনে হচ্ছিল।
দ্বিতীয় ইনিংসে পিটিভি আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে এবং মাত্র ১১১ রানেই গুটিয়ে যায়। ফলে এসএনজিপিএলের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৪০ রান। এত ছোট লক্ষ্য তাড়া করা সাধারণত আনুষ্ঠানিকতার পর্যায়ে পড়ে, কিন্তু এখানে ঘটে যায় নাটকীয় মোড়। পিটিভির বাঁহাতি স্পিনার আলি উসমান অসাধারণ বোলিং করে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৬টি উইকেট তুলে নেন।
শেষ পর্যন্ত এসএনজিপিএল দল মাত্র ৩৭ রানেই অলআউট হয়ে যায় এবং পিটিভি দুই রানে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয়। এর মাধ্যমে ১৭৯৪ সালে লর্ডসে ওল্ডফিল্ড বনাম এমসিসি ম্যাচে গড়া ৪১ রান ডিফেন্ড করার ২৩২ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে যায়। এই ম্যাচ প্রমাণ করে দিল, ক্রিকেট সত্যিই অনিশ্চয়তার খেলা—যেখানে অসম্ভবকেও সম্ভব করে তোলা যায়।
