মানকরের স্মরণ কালী পুজো। স্থানীয়দের কাছে এই দেবী বিশেষভাবে জাগ্রত বলেই জনশ্রুতি রয়েছে। নিজের মনস্কামনা পূরণের জন্য এখানে অনেকেই মানত করে যান। সেই মানত পূরণের গয়নার পরিমাণ বর্তমানে ১০০ ভরি পেরিয়েছে। এখানে দেবী মূর্তির উচ্চতা প্রায় ১২ ফুট। পরিবারের সদস্যরা দেবী মূর্তি তৈরি করেন। আর এই দেবী মূর্তি তৈরিতেই রয়েছে বিশেষত্ব।
advertisement
আরও পড়ুন Rabindranath Tagore: প্রমথনাথ বিশীকে লেখা কবিগুরুর ১৮টি চিঠি এবার তুলে দেওয়া হল বিশ্বভারতীর হাতে
পরিবারের সদস্য জিতেন আঁকুরে জানিয়েছেন, একটা সময় পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব দুর্বল ছিল। পুজো চললেও দেবী মূর্তির তৈরির খরচ ছিল না তাদের কাছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি প্রতিমা তৈরীর জন্য অল্প খরচ দিতেন। তাই প্রতিবার সাজ নিয়ে চিন্তায় পড়েছিলেন পরিবারের সদস্যরা। তখন স্থানীয় জমিদার বিশ্বাস পরিবারের দুর্গার সাজ খুলে সাজানো হয় দেবী কালীকে। সে বহুকাল আগের কথা। এখন পরিবার আর্থিকভাবে অনেকটাই স্বচ্ছল। কিন্তু পুরনো সেই রীতির বদল হয়নি আজও।
স্মরণ কালীর নিত্য পুজো হয়। পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে এই পুজো চালিয়ে নিয়ে যান। পুজোতে এখন অনেক জাঁকজমক হয়। বহু মানুষ ভিড় জমান নিজের মনস্কামনা নিয়ে। মানত পূরণ হলে মানসিকের গয়না দেবীর কাছে সমর্পণ করেন তারা। প্রায় বছরই এখানে কালীপুজোর পরের দিন ভোগ খাওয়ানো হয়। পরিবারের ওই কর্তা জানিয়েছেন, আস্তে আস্তে প্রতিমার উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিমার গয়না বেড়েছে। দেবীর জন্য স্থায়ী মন্দির তৈরি হয়েছে। কিন্তু দুর্গার সাজ খুলে এনে কালীকে সাজানোর যে পুরনো প্রথা, তার কোনও বদল হয়নি।
Nayan Ghosh





