জানা গিয়েছে, জগন্নাথপুর এলাকার বিশ্বনাথ দিগারের বাড়িতে প্রায় ৬ ফুট লম্বা একটি গোখরো ও একটি খরিশ সাপ দেখতে পাওয়া যায়। আর বাড়ির মধ্যে সাপ ঘিরে এরপরই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। গ্রামের বাসিন্দারা অবশ্য সাপগুলিকে না মেরে মাটির কলসির মধ্যে ভরে খবর দেয় বনদপ্তরে।
আরও পড়ুন: দীর্ঘ অপেক্ষার পর চালু লোকাল ট্রেন, দিনবদলের আশায় হাসি এখন ওঁদের মুখেও
advertisement
সকালে বনদপ্তরের কর্মীরা এসে ওই সাপ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
বনদপ্তরের কর্মীরা জানিয়েছেন, সাপগুলির শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। এরপর তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে গভীর জঙ্গলে।
আরও পড়ুন: স্বস্তির জায়গাতেই প্রকট অস্বস্তি, বড় ভাঙন BJP-তে! পুরভোটের আগেই TMC-র উচ্ছ্বাস
প্রসঙ্গত, বর্ষায় সাপের উপদ্রব বাড়ে প্রায় গোটা বাংলাজুড়ে। তবে যে জেলাগুলিতে সাপের উৎপাত সব থেকে বেশি দেখা যায় তার অন্যতম পশ্চিম মেদিনীপুর। বর্ষাতে সাপের কামড়ে অনেকের মৃত্যু হয় এই জেলায়। বর্ষায় এই এলাকায় প্রচুর সাপ দেখা যায়। সাপের ভয়ে বাড়ি থেকে বেরোতে পারেন না নীচু এলাকার বাসিন্দারা। বাড়ির মধ্যেই বা অন্যত্র সাপের কামড়ের শিকার হন সাধারণ মানুষ। প্রাণও যায় অনেকের। তবে, এতকিছুর পরও যে সাপদুটিকে না মেরে বাসিন্দারা তাদের বাঁচিয়ে রেখে বন দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে, সেই কারণেই সাধুবাদ দিচ্ছেন অনেকে।
