সবচেয়ে মর্মান্তিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে খোয়াজ মহম্মদপুর গ্রামের মানুষদের জন্য। গ্রামের কারও মৃত্যু হলে, কবর দিতে যেতে হয় শাল নদীর ওই পাড়ে। কিন্তু বর্তমানে নদী পেরোনোর কোনও রাস্তা না থাকায় মৃতদেহ কবরস্থানে নিয়ে যাওয়াও দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাধ্য হয়ে ঘুরপথে ১৫ কিমি পথ অতিক্রম করতে হচ্ছে শোকগ্রস্ত পরিবারকে। কেউ কেউ নদীর মধ্যে নেমে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছেন, তাতেও যেকনও মুহূর্তে ঘটতে পারে বড়সড় দুর্ঘটনা।
advertisement
স্থানীয় বাসিন্দা শেখ রাজেশ কুমার বলেন,”দশ-বারোটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল এই কজওয়ে। এখন জলে নেমে পার হতে হচ্ছে। মানুষ মারা গেলে মৃতদেহ পর্যন্ত নদীর ওপারে নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। কতটা অসহায় অবস্থায় আছি, সেটা ভাষায় বোঝাতে পারবো না।”
এই সংকটের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান জেলা পরিষদের সদস্যা মর্জিনা বিবি এবং দুবরাজপুর পঞ্চায়েত সমিতির বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ রফিউল হোসেন খান। কজওয়ের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ঘুরে দেখে গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করেন তাঁরা। দুজনেই স্বীকার করেন, “মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।”
গ্রামবাসীদের একটাই দাবি, অবিলম্বে শাল নদীর কজওয়ে সংস্কার করে স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হোক। তা না হলে আগামী দিনে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সকলেই।
সুদীপ্ত গড়াই





