জীবনটাই একটা সার্কাস হয়তো বুঝেছিলেন শিল্পী তাই খেলা দেখানো হয়ে গেছে, তিনি বিদায় নিয়েছেন রিং থেকে। তবু তাকে ভুলতে পারেনি চন্দননগর। বাবু পাল চন্দননগরের আলোক শিল্পে জ্যোতিষ্ক।
দুর্গাপুজোর পাশাপাশি নিজের শহর চন্দননগরে জগদ্ধাত্রী পুজোতেও আলো দিতেন প্রতিবছর। বাবু পালের শোভাযাত্রার আলো দেখার জন্য মুখিয়ে থাকে দর্শক। অমিতাভ বচ্চনের বাড়ির আলো থেকে, লন্ডন, আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো বাইরের দেশেও আলোর কাজ করে এসেছিলেন এই শিল্পী। শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের দুর্গাপুজোর যে আলোর খেলা দেখা যায় তাও তৈরি হত বাবু পালের হাত দিয়ে। শিল্পীর প্রয়ানে তাঁর শেষ কাজ সম্পন্ন করেন তাঁর মেয়ে। বেশোহাটা বারোয়ারীর শোভাযাত্রার আলো বাবু পালেরই তৈরি।
advertisement
সুশ্বেতা পাল বলেন, বরাত যখন আসে তখন বাবা অসুস্থ। বাবার ইচ্ছাতেই শুধু বেশোহাটার আলোটাই করেছি, বাকি বরাত নিতে পরিনি। সেই ঝকমকে আলো যখন চলে যাচ্ছে রাজপথ দিয়ে, দাঁড়িয়ে দেখছেন তাঁর উত্তরসূরী। দু’চোখে তার জল। এবারই শেষ বাবু পালের আলো দেখল চন্দননগর। এরপর হয়তa তাঁর মেয়ের নামে হবে আলো। শিল্পী চলে যায়, তাঁর সৃষ্টি রয়ে যায়। যেমন ভাবে রয়ে যাবেন বাবু পাল সবার হৃদয়ে।





