এর পরই শিক্ষকেরা ছুটে আসেন ক্লাসরুমে। তড়িঘড়ি মলয়কে উদ্ধার করে ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের থেকে জানা যায়, মলয় হালদার ও সায়ন চক্রবর্তী দু'জনেই ক্লাস ইলেভেনের কলা বিভাগের ছাত্র। দু'জনেরই দর্শনের ক্লাস ছিল সেকেন্ড পিরিয়ডের পর। কিন্তু হঠাৎই খেলার ছলে মারপিট করতে গিয়েই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যায়। ইতিমধ্যেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা পরিবারে। তবে প্রশ্ন উঠছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে, কীভাবে শিক্ষকদের নজর এড়িয়ে গেল এমন দুর্ঘটনা।
advertisement
আরও পড়ুন: উচ্চ মাধ্যমিক ছাত্রীর আত্মহত্যা, শেষমেশ আড়াল থেকে বেরিয়ে এল কাকিমার কারসাজি!
শনিবার গামছা নিয়ে খেলতে গিয়ে গলায় ফাঁস লেগে মৃত্যু হয় ন'বছরের এক বালকের। সন্ধ্যায় টিটাগড় থানার পলতা কালিয়ানিবাসের ঘটনাটি ঘটে। মৃতের নাম রাজদীপ বিশ্বাস, ৯ বছরের ছেলে। আচমকা এই অঘটনে বাকরুদ্ধ তার পরিবার-প্রতিবেশী। পুলিশ সূত্রের খবর, পলতার কালিয়ানিবাসে স্ত্রী এবং দুই ছেলেকে নিয়ে থাকেন বিএসএনএলের কর্মী রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস। ছোট ছেলে রাজদীপ ব্যারাকপুরে একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। শনিবার রাতে গৃহশিক্ষকের কাছে তার পড়ার কথা ছিল।
আরও পড়ুন: লোহার রড দিয়ে প্রতিবেশীর পোষ্য কুকুরকে প্রবল মার, আহত আরও ৩! কেন? হাড়হিম ভিডিও
স্থানীয়েরাও জানান, রাজদীপ অন্য দিনও বারান্দায় একা বসেই হোমওয়ার্ক করে। তাই ওই দিন কেউ তার খোঁজ করতে বারান্দায় যাননি। সন্ধ্যা ছ'টা নাগাদ রাজদীপের দাদা রকি গিয়ে দেখে, বারান্দার তার থেকে গামছার ফাঁসে ঝুলছে ভাই। মুখ-নাক দিয়ে রক্ত বেরিয়ে গিয়েছে। তাই দেখে চিৎকার করে সবাইকে ডাকে রকি। দ্রুত রাজদীপকে ব্যারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
আনিশ উদ্দিন মোল্লা
