শহর বুকে চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের তদন্তে নেমেই এয়ারপোর্ট থানার তদন্তকারী হদিশ পেলেন এই মোবাইল পাচার চক্রের। ঘটনায় পার্কস্ট্রিট থানা এলাকার একটি গেস্ট হাউস থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাংলাদেশের রাজশাহীর বাসিন্দা এম মাহমুদুল হাসানকে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে একটি ম্যাট্রিমোনিয়াল ওয়েবসাইট ‘বেঙ্গলি ম্যাট্রিমনি’-তে পরিচয় হয় নিউ ব্যারাকপুর এলাকার বাসিন্দা সুদীপ বোস এর সঙ্গে জিয়া সিং ওরফে রমা সাউয়ের। কিছুদিনের মধ্যেই সরাসরি সাক্ষাতের জন্য এয়ারপোর্ট থানার আড়াই নম্বরের সামনে এক গেস্ট হাউসে যান তাঁরা।
advertisement
অভিযোগ, সেখানে সুদীপ বোসকে চা-র সঙ্গে মাদক মিশিয়ে অচেতন করে তাঁর মোবাইল ফোন, নগদ টাকা সহ অন্যান্য সামগ্রী লুট করে চম্পট দেয় জিয়া সিং। গোটা ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের হলে, পরবর্তী সময়ে এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ অভিযুক্ত জিয়া সিংকে গ্রেফতার করে।
আরও পড়ুন- এই ছিল ১০০%, হয়ে গেল ৫০%! মোবাইলের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? এই সমস্যা হচ্ছে না তো?
জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোনটি বাংলাদেশের এক নাগরিকের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সেই সূত্র ধরে তদন্তে নেমে পুলিশ পার্ক স্ট্রিটের আরআর গেস্ট হাউস থেকে রাজশাহীর বাসিন্দা এম মাহমুদুল হাসানকে গ্রেফতার করে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য।
অভিযোগ, চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনগুলো কলকাতা থেকে পাচার হয়ে যেত বাংলাদেশে এবং সেখানেই তা বিক্রি করা হত। তদন্তকারীরা এখন জানার চেষ্টা করছেন এই মোবাইল ফোনগুলি কোনও জঙ্গি সংগঠন বা অপরাধমূলক কার্যকলাপে যুক্ত ব্যক্তিদের হাতে পৌঁছত কিনা। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, এই চক্রের পেছনে কোন বড় আন্তর্জাতিক পাচারচক্র কাজ করতে পারে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জেরা করে আরও নাম উঠে আসতে পারে বলে অনুমান।
Rudra Narayan Roy






