কীভাবে শিশুটি ওই জায়গায় এল, খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারা কেন শিশুকন্যাকে ফেলে গেল, কীভাবে সকলের চোখ এড়িয়ে হাসপাতাল চত্বরে এভাবে শিশুকন্যাকে ফেলে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন উঠছে। কন্যাসন্তান বলেই সদ্যোজাতকে এভাবে ফেলে যাওয়া হল কিনা উঠছে সেই প্রশ্নও। এই ধরনের নিন্দনীয় ঘটনা এর আগেও বহুবার ঘটেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতা-বার্তা দেওয়া হয়েছে তারপরে ও কী হবে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে উঠেছে প্রশ্ন।
advertisement
আরও পড়ুন : ফিরতে চান সমাজের মূল স্রোতে, শীতের আমেজে নতুন অন্নের সুবাসে আমোদিত কিন্নরদল
প্রসঙ্গত বেশ কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়ির জেলার ক্রান্তি থানার অন্তর্গত রাজাডাঙ্গা গ্রামে এক মা নিজের সদ্যোজাত শিশুকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে ফেলার চেষ্টা করেন। চার সন্তানের পর পঞ্চম সন্তান নিতে না চাওয়া, গর্ভধারণ লুকিয়ে রাখা এবং আর্থিক সংকট এই সমস্ত কারণই সেই মর্মান্তিক ঘটনায় উঠে আসে। প্রতিবেশীরা তাঁকে দেখে ফেলতেই শিশুকে একটি চওড়া পাঁচিলের উপর রেখে পালিয়ে যান মা। পরে পুলিশ মা ও বাবাকে গ্রেফতার করেছে, তদন্ত চলছে।
হাসপাতালের সুপার ডঃ ধীরাজ রায় বলেন, ‘‘ হাসপাতালের এমার্জেন্সি পরিষেবার পিছনে বাগানে এভাবে সদ্যোজাত শিশুকে ফেলে যাওয়া নিন্দনীয়। তবে শিশুকন্যাটি স্বাভাবিক ও সুস্থ আছে। গোটা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। শিশুকন্যাটির দেখভালের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।’’
