হস্তশিল্প মেলার উদ্বোধন করেন রাজ্যের ক্ষুদ্র-মাঝারি কুটির ও বস্ত্র বয়ন দফতরের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল, বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, মহকুমা শাসক অনিমেষ কান্তি মান্না-সহ অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট মণ্ডল বলেন, “আমি মন্ত্রীকে বলব, সোনাঝুরির হাট যেন শিল্পীদের কথা চিন্তা করে সপ্তাহে দু-দিন বসে। আর বাকি দুই দিন বিশ্ব ক্ষুদ্র বাজারে বসবে।”
advertisement
প্রসঙ্গত, বোলপুর শান্তিনিকেতনে পর্যটকদের মূল আকর্ষণ হল এই সোনাঝুরির জঙ্গলে খোয়াই হাট। বন দফতরের জায়গায় ব্যবসায়িক হাট সম্পূর্ণ বেআইনি। তার উপর যথেচ্ছ প্লাস্টিকের ব্যবহার। জঙ্গলের মধ্যে ছোট ছোট গাছ মারিয়ে দিয়ে ঢুকে পড়ছে চারচাকা গাড়ি৷ অনেক ক্ষেত্রে রাতের অন্ধকারে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। আর সেই কারণেই হাটটি ‘বেআইনি’ এই মর্মে জাতীয় পরিবেশ আদালতে মামলা করেছেন পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত।
আদালত আগেই বন দফতর ও রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের কাছে হাট নিয়ে হলফনামা চেয়েছিল। সেই হলফনামায় কার্যত হাট যে ‘বেআইনি’ তার উল্লেখ আছে। সরকারের কোন দফতরের অনুমতিতে বসে এই বোলপুর শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরির হাট? যদিও এই বিষয়ে তার কোনও সঠিক উত্তর দিতে পারেনি রাজ্য সরকারের কোনও দফতর। ২০ তারিখ সেই মামলার শুনানি রয়েছে। তার আগেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আগাম ব্যাবস্থা করে রাখা হচ্ছে। এখন শুধু ২০ তারিখ এর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সোনাঝুরি হাটের শিল্পীরা।






