ঘটনার পর কারখানার মালিক লক্ষণ বর্মা গা-ঢাকা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সে বেআইনি ভাবে লোহা কাটার কারখানা চালাচ্ছিল, যেখানে এলাকার গরিব পরিবারের শিশুদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে কাজে নামানো হত।
এই কারণেই ফ্রিজে বরফ জমে; সহজ কৌশল কাজে লাগিয়ে মুহূর্তের মধ্যে বরফ গলিয়ে নিন, দেখে নিন কী করতে হবে!
advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকারই এক পরিচিত শ্রমিকের মাধ্যমে গোপালকে ওই লোহা কাটার কারখানায় কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। প্রতিদিনের মজুরি মাত্র দুশো টাকা। আর সেই টাকার প্রলোভনেই স্কুলছুট কিশোর গোপাল প্রতিদিন কাজ করতে যেত কারখানায়। শুক্রবারও কাজ চলছিল স্বাভাবিকভাবে। কিন্তু আচমকাই বৈদ্যুতিক লোহা কাটার মেশিনে কাজ করার সময় ভারসাম্য হারিয়ে গলায় লাগে ঘূর্ণায়মান ব্লেড—মুহূর্তের মধ্যেই লুটিয়ে পড়ে সে।
পুলিশ জানিয়েছে, কারখানাটি কোনও সেফটি লাইসেন্স ছাড়াই চলছিল। মালিকের বিরুদ্ধে শিশু শ্রম ও অবহেলাজনিত মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তের কোনও খোঁজ মেলেনি।
দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এলাকায় নেমেছে শোক ও ক্ষোভ—“দু’শো টাকার জন্য একটা ছেলের প্রাণ গেল, এর দায় কে নেবে?” প্রশ্ন স্থানীয়দের।
