পূর্ব বর্ধমানের আতুহাটপাড়ার একটি বাড়িতে প্রত্যেক বছর ঘটা করে সরস্বতী পুজোর আয়োজন করা হয়। সোমবার-ও ছিল উপচে পড়া ভিড়। পুজো শেষ হয়, তারপর পুষ্পাঞ্জলি। তবে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার পর বাড়ির ছেলে সৌভিক ঘোষ বলেন, তার কাছে দক্ষিণা দেওয়ার জন্য নগদ টাকা নেই। তখনই পুরোহিত মশাই বলেন, ‘ক্যাশ নেই তাতে কী? আমার কাছে ফোন-পে আছে।’ তারপর অ্যাপ খুলে স্ক্যানার বার করেন আর সেই বারকোড স্ক্যান করে পুষ্পাঞ্জলির দক্ষিণা দেন সৌভিক ঘোষ।
advertisement
পুরোহিত মশাইয়ের এহেন আধুনিক কর্মকাণ্ড দেখে অনেকেই হতবাক হয়েছিলেন। অবশ্য, পুরোহিত সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য বলেন, “এখন আধুনিকতার যুগ। তাই যুগের সঙ্গে তাল মেলানোর জন্য সবরকম ব্যবস্থা রাখতে হয়।” পুজোর উদ্যোক্তা সৌভিক ঘোষ বলেন, “আমি মজার ছলেই নগদ টাকা নেই বলেছিলাম। তবে পুরোহিত মশাই যে ফোন-পে-তে টাকা দিতে বলবেন, তা ভাবিনি। বেশ ভালই লাগল, এখন সকলেই আধুনিক হয়ে উঠছেন।”
বনোয়ারীলাল চৌধুরী






