২০১১ সালে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল। শিল্পের জন্য বছরের পর বছর ‘বিজনেস সামিট’ হয়। কিন্তু শিল্প তালুক এখনও ঘন জঙ্গলে ভরা। বছর দুয়েক আগে ইলেকট্রিক বাস তৈরির কারখানা হওয়ার কথা ছিল। তবে আপাতত সে সব কিছুই নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, তাঁদের আশা ছিল, ওই এলাকায় শিল্পতালুক গড়ে উঠলে, তাঁদের কিছু সংস্থার হবে। জেলাতেই কাজ পাবেন শ্রমিকরা। এবছর আশা ছিল রাজ্যে বাজেটেও কিছু সুফল মিলবে। কিন্তু তাও মিলল না। ফলে নিরাশ হলেন রেজিনগরের বাসিন্দারাও।
advertisement
আরও পড়ুন: ভেজাল মেশানো খাবার বিক্রির দিন শেষ! এবার এই অত্যাধুনিক গাড়ি খপ করে ধরবে অসাধু ব্যবসায়ীদের
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সম্প্রতি রাজ্যে শিল্প নিয়ে দফায় দফায় চলছে আলোচনা, বিশিষ্ট শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি একটা বিশাল অঙ্কের টাকা দেওয়ার ঘোষণা করাই রাজ্যে বিভিন্ন শিল্প করার লক্ষ্যে, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় শিল্প নিয়ে প্রস্তাব রাখছেন, সেখানে মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর শিল্প নিয়ে কোন উল্লেখ নেই। সেই কারণে এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি ১৮৭ একর জমি বাউণ্ডারী ঘেরা বেহাল দশায় পড়ে আছে, অন্তত যে কোনও ক্ষুদ্র কুটির শিল্প হোক যাতে এলাকায় স্বাভাবিক ভাবেই উন্নতি হবে এবং মুর্শিদাবাদের মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক হতে হবে না।
জেলার ব্যবসায়ী স্বপন কুমার ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘গত বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে রেজিনগর শিল্পতালুকে ই-বাস কারখানার জন্য একটি সংস্থার সঙ্গে রাজ্য সরকারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু আরও একটি শিল্প সম্মেলন চলে এলেও সেই কারখানা তৈরি হয়নি।’’ তাঁর দাবি, ‘‘মুর্শিদাবাদ একপ্রকার শিল্পবিহীন জেলা। আমরা চাই মুর্শিদাবাদে ভারী শিল্প করা হোক, যাতে জেলার মানুষ সেখানে কাজ পান।’’
কৌশিক অধিকারী





