সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা নীলাদ্রি শেখর দাস জানান, OH গ্রুপের রক্ত যা বম্বে গ্রুপ নামে পরিচিত। বিরল এই রক্ত দুষ্প্রাপ্য। ৭১ বছরের বৃদ্ধ সমর দে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই খোঁজ শুরু হয় সেই গ্রুপের রক্তের। তার পরিবার থেকে বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ফেসবুকে আবেদন করা হয়। বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্কেও পাওয়া যাচ্ছিল না। তারপর এক চিকিসৎকের মাধ্যমে কোন্নগরের সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। তারা সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে জানতে পারে ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে আগে একজনে রক্ত এসেছিল ওই গ্রুপের। বারুইপাড়ার প্রণব চক্রবর্তী সেই ব্যক্তি। তার সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বেচ্ছায় রক্তদাতা পরিবার। চুঁচুড়া ইমামবাড়া ব্লাড ব্যাঙ্কে এসে রক্ত দিয়ে যান তিনি।
advertisement
আরও পড়ুন: ফাঁকা সসের বোতল, ভাঙা টাইলস কোনটাই ফেলেন না! এসব দিয়েই ইনি বানিয়ে ফেলেন একের পর এক তরঙ্গ বাদ্যযন্ত্র
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বম্বে ব্লাড গ্রুপ হল একটি বিরল রক্তের গ্রুপ যা প্রথম বম্বেতে একজন রোগীর মধ্যে আবিষ্কৃত হয়েছিল। এটি একটি বিরল কারণ ভারতে প্রতি ১০ হাজার জনের মধ্যে এক জনের মধ্যে পাওয়া যায় বলে জানা যায়। এই গ্রুপে রক্তে এইচ অ্যান্টিজেন থাকে না। সেই রক্ত কম্পোনেন্ট ভাগ করে আইস ব্যাগে করে বেহালার হাসপাতালে পৌঁছে দেয় রক্তা দাতা পরিবার।
নীলাদ্রি বলেন, দুষ্প্রাপ্য গ্রুপের রক্তদাতারা এগিয়ে এলে অনেক মানুষের জীবন বাঁচে।যেমন প্রণব বাবু এগিয়ে এসেছেন স্বেচ্ছায়। তিনি কিডনির অসুখে অসুস্থ বৃদ্ধকে চেনেনও না। অথচ তার জন্য এক কথায় রক্ত দিয়ে দিলেন। এটাই তো মানবিকতা যেটা খুবই প্রয়োজন বর্তমান সময়ে। যারা রক্তের গ্রুপ নির্নয় করেননি তারা গ্রুপ জেনে নিলেও ভবিষ্যতে রক্তদান করার ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। আর মানবিক এই কাজে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই সমাজ সুন্দর হবে।
রাহী হালদার





