রামনগরের কানুপয়ড়্যাহাট অবশেষে পেল ব্রীজ। মানুষের স্বপ্নপূরণ। দীর্ঘদিনের মানুষের স্বপ্ন পূরণ হল অবশেষে। ভাঙা ব্রিজ দিয়ে দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে মানুষের যাতায়াত। অবশেষে সেই ব্রিজ হওয়ায় খুশির হাওয়া সাধারণ মানুষের মধ্যে। রামনগরের ভূঞাজিবাড় কানুপয়ড়্যাহাটে ব্রীজ নির্মাণ শেষ হল। পরিদর্শনে বিধায়ক অখিল গিরি। রামনগরের ভূঞাজিবাড় কানুপয়ড়্যা হাটে নির্মায়মান ব্রীজের শেষ পর্যায়ের ঢালাই কাজ চলছে এই শেষ পর্যায়ের ঢালাই কাজের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ব্রিজের কাছে পরিদর্শনে আসেন এলাকার বিধায়ক অর্থাৎ রামনগর বিধানসভার বিধায়ক প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরি।
advertisement
আরও পড়ুন: উচ্চমাধ্যমিকে ৬০ শতাংশ নম্বর! বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীরা যা করে দেখাল, ভাবতেই পারবেন না
এই ব্রীজটি তৈরি হলে চারটি পঞ্চায়েত এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন, বাদলপুর পঞ্চায়েত, সাটিলাপুর পঞ্চায়েত, কাদুয়া পঞ্চায়েত, মৈতনা পঞ্চায়েত। এই চারটে পঞ্চায়েতের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের উপকার হবে, এছাড়াও পাশাপাশি হাই স্কুলগুলি থাকার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের ও যাতায়াতের অনেকটা সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভার বিধায়ক অখিল গিরি বলেন, ‘এই জায়গায় যে ব্রিজ ছিল তা দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায়। বেশ কিছু সময় দুর্ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী নতুন ব্রিজের দাবি জানিয়েছিল। অবশেষে সরকার সেই অনুমোদন দেয়। ব্রিজ নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। কয়েেক দিনের মধ্যেই খুলে দেওয়া হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এছাড়াও উপস্থিত হয়েছিলেন রামনগর দুই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অনুপ গিরি, সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন রামনগর দুই শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ নীলম রায়, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোহিত না অঞ্চলের উপপ্রধান পিনাকী দিন্দা, পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন আধিকারিক ও নেতৃত্ববৃন্দ। এই ব্রীজটি তৈরি হয়ে গেলে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও অনেকটা সুবিধা হবে এবং পাশাপাশি এলাকার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা উন্নতি হবে। ৫০ বছর ধরে অধরা স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবে রূপ পাওয়ায় খুশি এলাকাবাসী।
সৈকত শী





