মূলত ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিজ্ঞানের বিকাশ ঘটাতে এই মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্কুলের পড়ুয়ারা তাঁদের বিভিন্ন প্রোজেক্ট নিয়ে এই মেলায় হাজির হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ ছিল একটি বাইকের মডেল। মূলত দুর্ঘটনা এড়াতে এই বাইকটি মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। পুরুলিয়ার প্রত্যন্ত এলাকা হুটমুড়ার হরিমতি উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা এই বাইক মডেলটি তৈরি করেছিল।
advertisement
এই বাইকের মূল বিষয় হল, যদি হেলমেট সঠিক নিয়মে পরা হয় তবেই এই বাইক চালু হবে। যদি কোনও কারণে হেলমেটের স্ট্র্যাপ খুলে যায় তাহলে অটোমেটিক এই বাইকের স্টার্ট বন্ধ হয়ে যাবে। এই প্রোজেক্টের নাম ‘নো হেলমেট, নো স্টার্ট।’ মূলত দুর্ঘটনা এড়াতেই এই পরিকল্পনা নিয়েছে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা।
এই বিষয়ে বিদ্যালয়ের পড়ুয়া অন্বেষা মাঝি ও সুজাতা রাজোয়ার বলেন, যাতে দুর্ঘটনা রোধ করা যায় ও মানুষ সচেতন হয় সেই কারণেই এই প্রজেক্ট বানিয়েছেন। যদি নামিদামি বাইক কোম্পানিগুলি এই ধরনের বাইক ও হেলমেট বানায় তাহলে দুর্ঘটনা অনেকটাই কম হবে।
বিজ্ঞান মেলায় আসা এক দর্শনার্থী রঞ্জিত কুমার সহিস বলেন, খুদে পড়ুয়াদের মনে যে পরিকল্পনা এসেছে তা প্রশংসনীয়। এই পরিকল্পনা বাস্তবে রূপায়িত হলে দুর্ঘটনার সংখ্যা কমবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জেলা বিজ্ঞান কেন্দ্রের আধিকারিক ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় জানান, এই বিজ্ঞান মেলার যথেষ্ট সাড়া পেয়েছেন তাঁরা। জেলা জুড়ে ৯৯টি মডেল এসেছে। ১৩৬ জন ছাত্রছাত্রী অংশগ্রহণ করেছে। আগামী দিনে তাঁদের মধ্যে থেকে চারটি মডেল রাজ্য স্তরে যাবে। বিগত পাঁচ দশক ধরে এই বিজ্ঞান মেলা চলে আসছে। এই মেলা ঘিরে পড়ুয়াদের উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল তুঙ্গে।





