বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক মঞ্চে নিজের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মাধ্যমে তিনি মুগ্ধ করে চলেছেন অসংখ্য শ্রোতাকে। একদিকে শৃঙ্খলা ও কর্তব্যবোধে নিষ্ঠ পুলিশকর্মী, অন্যদিকে প্রতিভাবান শিল্পী, এই দুই পরিচয়েই আজ প্রশংসিত প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল।
advertisement
বাঁকুড়া জেলার রানীবাঁধ এলাকার এক সাধারণ গ্রাম্য পরিবেশে বড় হয়ে ওঠা প্রিয়াঙ্কা বর্তমানে পুরুলিয়া জেলায় কর্মরত রয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই গানের সঙ্গে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক। প্রিয়াঙ্কা জানান, “আমার বয়স যখন মাত্র সাত বছর তখন থেকেই গান গাইতে শুরু করি। গান আমার জীবন, গান ছাড়া আমি থাকতে পারি না। আমার জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গে গান জড়িয়ে রয়েছে। এমনকি ডিউটিতে থাকাকালীনও আমি আপন মনে গুনগুন করে গান গাইতে থাকি।”
আরও পড়ুন: গিগ কর্মীদের জন্য বড় সুখবর! ৯০ দিন কাজ করলে দিতে হবে সামাজিক সুরক্ষা, নয়া নিয়ম আনছে কেন্দ্র
ছোটবেলায় বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তাঁকে নানা জায়গায় যেতে হত। তবে চাকরি পাওয়ার পর ব্যস্ততার কারণে আগের মত সময় আর বের করা সম্ভব হয় না। তবুও যেখানে যখন পোস্টিং থাকে, সেই থানার কোনও অনুষ্ঠান বা সাংস্কৃতিক আয়োজনে সুযোগ পেলেই গান গেয়ে শ্রোতাদের মন ছুঁয়ে যান প্রিয়াঙ্কা।
প্রিয়াঙ্কার এই প্রতিভা ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে আজ গর্বিত তাঁর পরিবারও। প্রিয়াঙ্কার শাশুড়ি মা অপর্ণা দত্ত বলেন, “প্রিয়াঙ্কার মত বৌমা পেয়ে আমি নিজেকে খুব গর্বিত মনে করি।” কর্তব্যবোধ ও সংস্কৃতির এমন সুন্দর মেলবন্ধনে প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল আজ শুধু একজন পুলিশকর্মীই নয়, বরং সমাজের কাছে অনুপ্রেরণা ও আদর্শের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তও হয়ে উঠেছেন।