ধৃতের নাম বিশ্বনাথ বিশ্বাস। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় থানার বড়শুলের কুমিরখোলা এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর ও কনে দু' জনই শক্তিগড় থানার বড়শুল এলাকার বাসিন্দা। শুক্রবার বর্ধমান থানার পুলিশ বরের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তাকে বর্ধমান আদালতে পেশ করেছে।
আরও পড়ুন: হোস্টেলে ঢুকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ওপর হামলা! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সুপারের দিকেই
advertisement
বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমানের নান্দুর এলাকার একটি কালী মন্দিরে পৌঁছয় বর্ধমান থানার পুলিশ। ততক্ষণে বিয়ের মণ্ডপে এসে হাজির বর। সেই সময় নাবালিকার বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। পুলিশের উপস্থিতি দেখে বর ও কনেকে ছেড়ে পলাতক হয় উভয় পক্ষেরই পরিবার।
আরও পড়ুন: শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতীর ক্লাস ১১-র ছাত্রের মৃত্যু, পরিবার বসল ধর্ণায়
জানা গিয়েছে, কনের বয়স ১৭ বছর। এখনও বিয়ের বয়স হয়নি তার। তাই নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করলো পূর্ব বর্ধমান চাইল্ড লাইন ও বর্ধমান থানার পুলিশ। নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করে তাকে উদ্ধার করে চাইল্ড লাইনের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বরকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয় বর্ধমান থানায়।
পূর্ব বর্ধমান জেলি পুলিশের ডিএসপি হেড কোয়ার্টার অতনু ঘোষাল জানিয়েছেন,নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, নাবালিকার বিয়ে হতে চলেছে বলে গোপন সূত্রে খবর পায় পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গেই সেই বিয়ে থামাতে তৎপর হয় পুলিশ ও চাইল্ড লাইন। কালী মন্দিরে পুলিশ পৌঁছতেই বর ও কনে পক্ষের সবই গা ঢাকা দেয়। বরকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নাবালিকাদের বিয়ে ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে।
