TRENDING:

বন্ধ চিনিকলে নতুন প্রাণস্পন্দন ফিরে আসুক চাইছেন আমোদপুরের মানুষ

Last Updated:

ভূগোলের পাতা থেকে ইতিহাসের অধ্যায়ে জায়গা করে নিয়েছে আমোদপুর! কারণ কী জানেন?

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
সৌভিক রায়, বীরভূম: বীরভূমের বোলপুর থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই আহমদপুর এলাকা। আর এই এলাকায় এক সময় ছিল সুগার মিল। তবে কাল ক্রমে সেটি অনেক দিন আগেই বন্ধ হয়েছে। আর সেই মিল বন্ধ হওয়ার পরেই আমোদপুর চিনিকলের সেই পরিচিত সাইরেনও বন্ধ হয়ে যায়। কার্যত ভগ্নপ্রায় অবস্থায় পড়ে রয়েছে সেই চিনিকল। দেওয়ালে ফাটল ধরেছে দেওয়ালের গায়ে জন্ম নিয়েছে বিভিন্ন গাছপালা। তবুও এলাকার প্রবীণরা, যাঁরা এই চিনিকলের সাইরেন নিজের কানে শুনেছেন, আজও যেন তাঁদের কানে বাজে সেই ভোঁ। সকলের ইচ্ছে, সুগার মিলের জায়গায় নতুন প্রাণের সঞ্চার ঘটুক।
advertisement

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে ১৯৫৫ সালে উদ্বাস্তু পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ন্যাশনাল সুগার মিল তৈরি হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের ছাড়পত্র পাওয়ার পর আখ চাষের জমি-সহ আনুমানিক প্রায় ৫৩ একর জায়গায় প্রায় ৬ কোটি টাকার মেশিন নিয়ে গড়ে ওঠা মিলটিতে, উৎপাদন শুরু হয় ১৯৬০-৬১ সালে। এই সময় কর্মী সংখ্যা দাঁড়ায় ছয় শতাধিক জন। তবে এর পরেই নানা জটিলতা এবং লোকসানের ধাক্কায় ১৯৬৪ সালে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় এখানে। তবে এরপরে আবার ১৯৭৩ সালে বিধায়ক প্রয়াত সুনীতি চট্টরাজের উদ্যোগে মিলটি অধিগ্রহণ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার। মিলের পরিবর্তিত নামকরণ হয় আমোদপুর সুগার মিল। যদিও আজও সেই নামে পরিচিত এই মিল। আজও বড় লোহার গেটে আবছা ভাবে লেখা রয়েছে সেই নাম।

advertisement

আরও পড়ুন: আর পরীক্ষা দেওয়া হল না মোনালিসার! স্কুলে যাওয়ার পথে সজোরে ধাক্কা…! সব শেষ

এরপর আনুমানিক ১৯৭৪-৭৫ সাল থেকে ফের উৎপাদন শুরু হয়। আবার প্রাণসঞ্চার ফিরে পায় সুগার মিল। কয়েক বছর পর আবার ঘটে বিপত্তি। টানাপড়েনে ২০০২-২০০৩ সালে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৫ সালে আগাম অবসর দেওয়া হয় কর্মীদের। সূত্রের খবর, ২০১০ সালে নিলামে বিক্রি করে দেওয়া হয় মিল এ ব্যবহৃত মেশিনগুলিও! এখন কঙ্কালসার চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে চিনিকল(সুগার মিল)।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
রাজকীয় জাঁকজমক আজ না থাকলেও লক্ষ্মী নারায়ণ জীউয়ের মন্দির এখনও জাগ্রত এইখানে
আরও দেখুন

ভগ্নপ্রায় কর্মী আবাসনগুলি। অফিসঘর, ডিসপেনসারি, সিকিউরিটি-অফিসের মতন বহু বিল্ডিং ধুঁকছে। বেশ কিছু জমি বেদখলও হতে বসেছে বলে অভিযোগ! এক সময় ওই চিনিকলের স্থানীয় ডিরেক্টর ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী প্রয়াত রজতভূষণ দত্ত। এই এলাকায় খুব শীঘ্রই কাজ হোক চাইছেন সকলে। যদিও ওই এলাকার কয়েকজন যুবক মিলে জঙ্গল সাফ করে পরিষ্কার রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন ক্রমাগত।

advertisement

Click here to add News18 as your preferred news source on Google.
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷ থাকছে দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের খবরও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷ News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে  ক্লিক করুন এখানে ৷ 
বাংলা খবর/ খবর/দক্ষিণবঙ্গ/
বন্ধ চিনিকলে নতুন প্রাণস্পন্দন ফিরে আসুক চাইছেন আমোদপুরের মানুষ
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল