সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে ১৯৫৫ সালে উদ্বাস্তু পুনর্বাসন এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ন্যাশনাল সুগার মিল তৈরি হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের ছাড়পত্র পাওয়ার পর আখ চাষের জমি-সহ আনুমানিক প্রায় ৫৩ একর জায়গায় প্রায় ৬ কোটি টাকার মেশিন নিয়ে গড়ে ওঠা মিলটিতে, উৎপাদন শুরু হয় ১৯৬০-৬১ সালে। এই সময় কর্মী সংখ্যা দাঁড়ায় ছয় শতাধিক জন। তবে এর পরেই নানা জটিলতা এবং লোকসানের ধাক্কায় ১৯৬৪ সালে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় এখানে। তবে এরপরে আবার ১৯৭৩ সালে বিধায়ক প্রয়াত সুনীতি চট্টরাজের উদ্যোগে মিলটি অধিগ্রহণ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার। মিলের পরিবর্তিত নামকরণ হয় আমোদপুর সুগার মিল। যদিও আজও সেই নামে পরিচিত এই মিল। আজও বড় লোহার গেটে আবছা ভাবে লেখা রয়েছে সেই নাম।
advertisement
আরও পড়ুন: আর পরীক্ষা দেওয়া হল না মোনালিসার! স্কুলে যাওয়ার পথে সজোরে ধাক্কা…! সব শেষ
এরপর আনুমানিক ১৯৭৪-৭৫ সাল থেকে ফের উৎপাদন শুরু হয়। আবার প্রাণসঞ্চার ফিরে পায় সুগার মিল। কয়েক বছর পর আবার ঘটে বিপত্তি। টানাপড়েনে ২০০২-২০০৩ সালে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৫ সালে আগাম অবসর দেওয়া হয় কর্মীদের। সূত্রের খবর, ২০১০ সালে নিলামে বিক্রি করে দেওয়া হয় মিল এ ব্যবহৃত মেশিনগুলিও! এখন কঙ্কালসার চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে চিনিকল(সুগার মিল)।
ভগ্নপ্রায় কর্মী আবাসনগুলি। অফিসঘর, ডিসপেনসারি, সিকিউরিটি-অফিসের মতন বহু বিল্ডিং ধুঁকছে। বেশ কিছু জমি বেদখলও হতে বসেছে বলে অভিযোগ! এক সময় ওই চিনিকলের স্থানীয় ডিরেক্টর ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী প্রয়াত রজতভূষণ দত্ত। এই এলাকায় খুব শীঘ্রই কাজ হোক চাইছেন সকলে। যদিও ওই এলাকার কয়েকজন যুবক মিলে জঙ্গল সাফ করে পরিষ্কার রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন ক্রমাগত।





