কোলাঘাটের মন্দারগাছিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুদীপ। এলাকায় ভাল ব্যবহার ও নিষ্ঠা পরায়ণ যুবক হিসাবে সবার খুব কাছের ছিলেন। অন্যদিকে সিভিক ভলেন্টিয়ার হিসেবে রাস্তায় ট্রাফিক সামলানোর কাজও করতেন নিষ্ঠার সঙ্গে। কোনওদিন তাঁর কাজ নিয়ে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি! ভাল কাজের জন্য জেলা পুলিশের তরফ থেকে মিলেছিল সম্মাননা শংসাপত্র। সেই সিভিক ভলেন্টিয়ার কর্তব্যরত অবস্থায় দুর্ঘটনায় মারা যান। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) তথা জেলা পুলিশ সুপারের চার্জ থাকা মিতুন কুমার দে সহ অন্যান্য পুলিশ অধিকারিকেরা।
advertisement
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই সিভিক ভলেন্টিয়ারের দেহ তাম্রলিপ্ত গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল থেকে মন্দারগাছিয়া গ্রামের বাড়িতে আসে। ভেঙে পড়ে পরিবার। মৃত সিভিক ভলেন্টিয়ারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার আগে জেলা পুলিশের তরফ থেকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়।
এই বিষয়ে জেলার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানান, আমাদের সহকর্মী মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে। আমরা এই পরিবারের পাশে আছি। এই দুর্ঘটনার মামলা শুরু হয়েছে। গাড়ি চালকের যাতে শাস্তি হয় সেই বিষয়ে আমরা সচেষ্ট থাকব। মৃত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে শ্রদ্ধা জানাতে পুলিশের তরফ থেকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই সিভিক ভলেন্টিয়ার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি ছিলেন। বাড়িতে রয়েছে বৃদ্ধ বাবা, মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান। পুলিশের তরফ থেকে জানা যায়, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ির চালক এই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। সুদীপ এভাবে প্রাণ হারানোয় পরিবারের পাশাপাশি এলাকাবাসীও ভেঙে পড়েছে। বিহ্বল মনে সাধারণ গ্রামবাসী তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন। কর্তব্যরত অবস্থায় সিভিক ভলেন্টিয়ার সুদীপ চক্রবর্তীর মৃত্যুর শোক গোটা গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে।





