পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই সময় বাড়িতে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। বাড়ির মালিক গোপাল চন্দ্র দাস দুই দিন আগে মেয়ের বাড়িতে কলকাতায় গিয়েছিলেন। এদিন সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখেন, বাড়ির সামনের গেটের তালা ভাঙা, ঘরের দরজা ভাঙা এবং ভিতরে থাকা আলমারির লকও ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ গভীর রাতে ট্রলার থেকে উধাও মৎস্যজীবী, শৌচকর্ম করতে গিয়েই কি তবে অঘটন! তোলপাড় করে চলছে তল্লাশি
পরিবারের অভিযোগ, চুরি করার মতো তেমন কিছু না পেয়েই রাগে হয়তো দুষ্কৃতীরা বাড়ির ভিতরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে ঘরের ভিতরে থাকা এসি, ফ্যান-সহ একাধিক ইলেকট্রনিক সামগ্রী এবং আসবাবপত্র সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ পাড়ায় সমাধান প্রকল্পের কাজে বেনিয়ম! বাঁধল গোষ্ঠী কোন্দল, বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা
গোপাল চন্দ্র দাসের মেয়ের দাবি, এটি পরিকল্পিতভাবেই করা হয়েছে এবং চুরি ব্যর্থ হওয়াতেই এই ভয়াবহ কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। এলাকাবাসীদের একাংশের সন্দেহ, বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকায় বাইরে থেকে অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেরেছিল। তারাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার পর এলাকায় পৌঁছান স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অন্তরা যাদব। তিনি জানান, পুরো বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ যাতে দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রুখতে নজরদারি আরও বাড়ায়, সেই দাবিও জানানো হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘটনার খবর পেয়ে দত্তপুকুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে। কীভাবে আগুন লাগানো হল এবং এর পিছনে কারা জড়িত, তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দত্তপুকুর থানার পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও।






