ডাসা নদীর এক প্রান্তে অবস্থিত হাসনাবাদের কুমিরমারি এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারকে প্রতিদিন নৌকায় করে নদী পেরিয়ে অপর প্রান্তে যেতে হয় শুধুমাত্র পানীয় জল সংগ্রহের জন্য। নদীপথে এই যাতায়াত সহজ নয়, বিশেষ করে বর্ষা কিংবা জোয়ারের সময়। তবুও জীবনের প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়েই জল আনতে বাধ্য হন তারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই পানীয় জলের সংকট চলছে।
advertisement
আরও পড়ুন: জঙ্গলমহলে গজরাজের প্রত্যাবর্তন, দু’দশকে হাতির সংখ্যায় অবিশ্বাস্য লাফ! তথ্য দেখে চমকে যাবেন
কুমিরমারি এলাকায় পর্যাপ্ত নলকূপ বা বিশুদ্ধ পানীয় জলের কোনও স্থায়ী ব্যবস্থা নেই। ফলে সন্দেশখালির সাহেরা রাধানগর এলাকার দিকেই তাদের ভরসা। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাইকে এই কষ্টকর যাত্রার সাক্ষী হতে হয় প্রতিদিন। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বারবার প্রশাসনের কাছে পানীয় জলের সমস্যার কথা জানানো হলেও স্থায়ী কোনও সমাধান আজও মেলেনি। সরকারি প্রকল্পের কথা শোনা গেলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যায় না বলে দাবি তাদের।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ফলে প্রশ্ন উঠছে, কবে এই দীর্ঘদিনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে দ্বীপবাসী? সুন্দরবনের মতো সংবেদনশীল ও দুর্গম অঞ্চলে পানীয় জল যে মানুষের মৌলিক অধিকার, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে অন্য কথা। কুমিরমারির মানুষ আজও তাকিয়ে রয়েছেন প্রশাসনের দিকে। কবে নদী পেরোনোর এই দুর্ভোগ শেষ হবে, কবে ঘরের কাছেই মিলবে নিরাপদ পানীয় জল, সেই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে স্থানীয়দের মনে।





