এই ভ্রাম্যমান স্বাস্থ্যযান প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট গ্রামে পৌঁছবে। সঙ্গে থাকবেন চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত নার্স ও দক্ষ টেকনিশিয়ানরা। কোথায়, কবে এই পরিষেবা মিলবে তা আগে থেকেই পঞ্চায়েত, ব্লক, প্রশাসনের উদ্যোগে জানিয়ে দেওয়া হবে মাইকিং প্রচারে।
advertisement
গাড়িতেই মিলবে ইসিজি, রক্ত পরীক্ষা, অক্সিজেন-সহ লাইফ সাপোর্টের পরিকাঠামো এবং প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা। গ্রামের মানুষ বিনামূল্যেই করতে পারবেন রক্ত পরীক্ষা, ইসিজি-সহ একাধিক শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা। পরীক্ষার কাজ গাড়ির মধ্যেই সম্পন্ন হবে এবং হাতে হাতে রোগীর রিপোর্টও দিয়ে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ আদিবাসী জনজাতির পাশে প্রশাসন! রাজ্য সরকারের পরিষেবা পৌঁছে দিতে পাঁশকুড়ায় ‘দুয়ারে শিবির’
এ বিষয়ে বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার উপ-মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল কুমার বিশ্বাস জানান, যেসব এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল, সেখানেই এই স্বাস্থ্য পরিষেবা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তাই বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী ভ্রাম্যমান স্বাস্থ্যযানগুলো গ্রামাঞ্চলে পৌঁছে যাবে। তিনি আরও বলেন, বেসরকারি ল্যাব বা পরীক্ষাকেন্দ্রে যে পরীক্ষাগুলিতে সাধারণত বেশি খরচ হয়, সেগুলো এখন মানুষ বিনামূল্যেই পেয়ে উপকৃত হবেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আগামী দিনে মোবাইল এক্স-রে সুবিধাও যুক্ত করার চিন্তাভাবনা চলছে। এই উদ্যোগের ফলে বহু প্রান্তিক মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা ও চিকিৎসার আওতায় আসবেন – এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্বাস্থ্য পরিষেবাকে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার এই প্রয়াস, সীমান্ত ও সুন্দরবন এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তি।





