প্রতিবছর পয়লা মাঘ এখানে উজানী মেলা বসে। মন্দিরের পিছনে অজয় নদ আছে। সেই অজয় নদের বালিতেই বসে একদিনের মেলা। মঙ্গলচণ্ডী, জয়মঙ্গলবার এগুলো তো আছেই।
advertisement
মন্দিরের দায়িত্বে থাকা সোমনাথ রায় জানান, বারো মাস দেবীর অন্ন ভোগ হয়। সেই ভোগে দেবীকে মাছ দেওয়া হয়। মাছ ছাড়া দেবীর অন্ন ভোগ সম্পূর্ণ হয় না। দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন এক দিনের জন্য দেবীকে নিরামিষ খাওয়ানো হয়। তাছাড়া বারো মাস ভোগ মাছ থাকে।
অতীতে এখানে নদীর পাড়ে জঙ্গল ছিল। জঙ্গল কেটে মায়ের মন্দির তৈরি করা হয়। সেসব রাজ আমলের কথা। রাজারাই মন্দির তৈরি করেছিলেন। রায়’রা বংশ পরম্পরায় এখানে দেবীর পুজো করে আসছে।
মন্দিরের সেবাইত জানান, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, কানাডা থেকে বহু ভক্ত আছেন এখানে। তাছাড়া বাংলা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তো বহু মানুষ আসেনই।
৪-৫ দিন ধরে জল নেই! মুর্শিদাবাদের গ্রামে পানীয় জলের তীব্র হাহাকার
আরও দেখুন মঙ্গলকোটের কোগ্রামে অবস্থিত এই সতীপীঠে আপনি চাইলে ঘুরেও আসতে পারেন। একদম অজয় নদের ধারে অবস্থিত এই মনোরম পরিবেশের জায়গা দেখে মুগ্ধ হবেন আপনিও। তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। মন্দির প্রাঙ্গণেই রয়েছে থাকা এবং অন্ন ভোগ গ্রহণের ব্যবস্থা। ভোগ প্রসাদ এবং থাকার জন্য আগাম ফোন করতে হবে– ৮৩৪৮৯৬৮২৪৪ এই নম্বরে।