অভিযোগ, আগেরদিন রাতে পলাশবাবু যখন মূর্তি তৈরি করছিলেন, সেই সময় অভিযুক্ত অমিত মদ্যপান করে এসে তাঁর সঙ্গে বচসা করতে উদ্যত হয়। যদিও বাড়িতে পুজো থাকায় পলাশবাবু তাঁকে আগামীকাল বাড়িতে গিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করতে এবং কারখানা থেকে চলে যেতে বলেন। এরপর ওই যুবক এলাকা ছেড়ে চলে গেলে কারখানা বন্ধ করে আগমেশ্বরী স্ট্রিট এলাকার বাড়িতে চলে যান মৃৎশিল্পী। তবে এদিন সকালে এলাকাবাসীর সূত্রে জানতে পারেন, তাঁর কারখানার প্রায় সমস্ত সরস্বতী এবং কালী মায়ের প্রতিমা ভেঙে নষ্ট করে দিয়েছেন অমিত।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ৯০% দৃষ্টিহীন হলেও থামতে নারাজ! ফুটবলে জাতীয় মঞ্চে সাফল্য নবদ্বীপের মেয়ের, আজ বাংলার গর্ব নন্দিতা
পলাশবাবু জানান, কালী প্রতিমা, সরস্বতী প্রতিমা নিয়ে প্রায় ৭০-৮০টি মূর্তির ক্ষতি করেছেন অভিযুক্ত দুই যুবক। মূল কারখানা ঘরের ঝাঁপও ভাঙা হয়েছে। কিন্তু সময়ের অভাবে হয়তো সম্পূর্ণ প্রস্তুত প্রতিমা এবং তাঁর নিজের বাড়ির পুজোর প্রতিমার ক্ষতি করতে পারেননি দুষ্কৃতী।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সকালে এই ঘটনা জানাজানি হতেই গোটা এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনার খবর পেয়ে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রভাত বিশ্বাস ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অরুণ বসাক ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছন। শান্তিপুর থানার গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিকেরাও ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন মৃৎশিল্পী পলাশবাবু ও এলাকাবাসীরা। পাঁচ ও ছ’নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারও প্রশাসনের কাছে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি রেখেছেন। তাঁরা জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ না থাকলে বিষয়টি সাম্প্রদায়িক হতে পারত।






