নদিয়ার কল্যাণীর মাঝেরচর হুগলি নদীর (গঙ্গা) তীরে এই দূষণমুক্ত বৈদ্যুতিক চুল্লি সহ অত্যাধুনিক শ্মশান তৈরি করা হয়েছে। এই প্রকল্পের নোডাল হিসেবে দায়িত্বে রয়েছে স্টেট মিশন ফর ক্লিন গঙ্গা। ইতিমধ্যেই পরিকাঠামো সহ সব দিক প্রস্তুত। এখন কেবলমাত্র ট্রায়ালের অপেক্ষা। এই ট্রায়াল শেষ হলেই কল্যাণী পৌরসভার হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।
advertisement
জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পের মোট বাজেট ৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। জমির পরিমাণ ২.৬৬ একর। বর্তমানে একটি চুল্লি রয়েছে। তবে পরবর্তীতে চাহিদা অনুযায়ী আরেকটি বসানোর পরিকল্পনা আছে। নবনির্মিত এই শ্মশানে দূষণমুক্ত চুল্লি ও আধুনিক পরিকাঠামো। সেই সঙ্গেই স্পট থেকেই দাহের সার্টিফিকেট দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
এই শ্মশান চালু হলে নদিয়ার কল্যাণী সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের মানুষের ব্যাপক সুবিধা হবে। বর্তমানে এইসব অঞ্চলের মৃতদেহ দাহ করতে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর অথবা হুগলির ত্রিবেণী শ্মশান ব্যবহার করতে হয়, দাবি কল্যাণী পৌরসভার। ফলে এই শ্মশান চালু হলে সেই দুর্ভোগ দূর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
