প্রাথমিক তদন্তেই সামনে আসে অস্বাভাবিক তথ্য। দোকানে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি, কারণ দোকান মালিক দাবি করেন, চোরেরা সিসিটিভির হার্ড ডিস্কও নিয়ে গিয়েছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ আরও গভীরভাবে তদন্ত শুরু করে। তল্লাশিতে দোকানের ভিতর থেকেই উদ্ধার হয় দুটি গোপন ক্যামেরা, যা গোটা ঘটনা নতুন মোড় নেয়।
advertisement
এর পর শুরু হয় দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ। জেরার সময় দোকান মালিকের বক্তব্যে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। সন্দেহ আরও ঘনীভূত হলে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য উদ্ধার করে। দোকান মালিকের বাড়ি থেকেই পাওয়া যায় প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না, যা তিনি চুরি হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন। কার্যত স্পষ্ট হয়ে যায়, এটি বাইরের চোরচক্রের কাজ নয়; নিজের দোকানে নিজেই চুরির নাটক সাজিয়েছিলেন ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ী।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যাঙ্কে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ঋণ ছিল। সেই ঋণ শোধ করতেই এই চরম পথ বেছে নেন তিনি। শুধু থানায় অভিযোগই নয়, সংবাদমাধ্যমকে ডেকে চুরির গল্প শোনান তিনি, যাতে ঘটনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে। আরও জানা যায়, দোকানের প্রায় এক কোটি টাকার বিমা করা ছিল এবং বিমার টাকা পেতেই এই ছক কষা হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত সব সত্য স্বীকার করেন দোকান মালিক। পুলিশ দোকান মালিক ও তাঁর ছেলেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুরো ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।






