প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ১৩৪টি পরিবারকে পাট্টা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও প্রথম দফায় ৫৪টি পরিবারকে জমির পাট্টা দেওয়া হয়েছে। পাট্টা পাওয়ার ফলে ওই পরিবারগুলি এবার বাংলার আবাস যোজনার আওতায় পাকা ঘর নির্মাণ করতে পারবেন। দীর্ঘদিনের উদ্বাস্তু জীবনের অবসান ঘটতে চলেছে বলেই মনে করছেন উপকৃত পরিবারগুলি।
advertisement
নদীভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে কখনও বাঁধের উপর, কখনও আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন বহু মানুষ। বছরের পর বছর প্রশাসনের দফতরে ঘুরেও স্থায়ী সমাধান মেলেনি। সেই পরিস্থিতিতে বছরের শুরুতেই পাট্টা হাতে পেয়ে খুশিতে ভাসছেন ভাঙন কবলিতরা।
পাট্টা বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান, লালগোলার বিধায়ক মহম্মদ আলি এবং লালবাগ মহকুমা শাসক সহ প্রশাসনের আধিকারিকরা। জনপ্রতিনিধিরা জানান, ভাঙন কবলিতদের পুনর্বাসনই তাঁদের অগ্রাধিকার। ধাপে ধাপে বাকি পরিবারগুলিকেও পাট্টা দেওয়া হবে।
জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান বলেন, “ভাঙনে যাঁরা সবকিছু হারিয়েছেন, তাঁদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। আজ যাঁরা পাট্টা পেলেন, তাঁরা এবার স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাবেন।” লালগোলার বিধায়ক মহম্মদ আলি জানান, “এই পাট্টা শুধু জমির কাগজ নয়, এটি ভাঙন কবলিত মানুষদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা। বাংলার আবাস যোজনার ঘর পেলে তাঁদের জীবনে নতুন সূচনা হবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পাট্টা হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন উপকৃত পরিবারগুলির সদস্যরা। তাঁদের কথায়, “সবকিছু হারিয়ে আমরা ভেবেছিলাম আর ঘর হবে না। আজ জমির কাগজ পেয়ে নতুন করে বাঁচার সাহস পেলাম।” প্রশাসন সূত্রে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দ্রুত বাকি ভাঙন কবলিত পরিবারগুলির পুনর্বাসনের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করা হবে। নদী ভাঙনের যন্ত্রণার মাঝেও সরকারি উদ্যোগে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ পেলেন লালবাগ মহকুমার ভাঙন কবলিত মানুষরা।





