তারপরেও কোনও সন্ধান না মেলায় তাঁকে মৃত ভেবে নিয়ে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর শ্রাদ্ধশান্তিও সম্পন্ন করা হয়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দু’মাস আগে শরৎ মুর্মুর কয়েকজন পরিচিত ও সঙ্গী দাবি করেছিলেন, তিনি নাকি রাস্তায় মারা গিয়েছেন। সেই খবরেই পরিবার ভেঙে পড়ে।
আরও পড়ুন: সস্তায় আভিজাত্য! প্লাস্টিক-ফাইবারকে গোল দিয়ে হাওড়ায় রাজত্ব করছে অসমের বাঁশের বাহারি জিনিস
advertisement
কিন্তু হঠাৎ শুক্রবার ভগবানগোলা স্টেশন চত্বরে এক ব্যক্তিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। যাঁর সঙ্গে নিখোঁজ শরৎ মুর্মুর মিল রয়েছে। এই খবর সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই সূত্র ধরেই পরিবার খোঁজ শুরু করে এবং অবশেষে নিশ্চিত হয়, ওই ব্যক্তিই নিখোঁজ শরৎ মুর্মু।
আরও পড়ুন: ফাস্টফুডকে টা-টা বাই-বাই! পটাশপুরের স্কুলে খুদেদের টিফিনে পুষ্টির লড়াই, এলাহি আয়োজন
খবর পেয়ে ভগবানগোলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং তাঁর পরিচয় যাচাইয়ের পর পরিবারের হাতে তুলে দেয়। দীর্ঘ ছয় মাস পর প্রিয়জনকে ফিরে পেয়ে আবেগে ভেঙে পড়ে পরিবার। একইসঙ্গে এমন ঘটনায় বেশ অবাক হয়েছেন প্রতিবেশীরা।
